দেশের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিনকে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে গোড়ে তোলার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে সেন্টমার্টিনকে আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলা হবে। আর পরিকল্পানায় শুধু সেন্টমার্টিন নয়, কক্সবাজারের অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ অনেক প্রকল্প বাস্তবায়ন হচ্ছে। এসব উন্নয়নের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ে উঠবে।
সোমবার (২১ ডিসেম্বর) দুপুরে কক্সবাজারের টেকনাফ স্থলবন্দর পরিদর্শন শেষে সেন্টমার্টিন যাত্রাকালে এসব কথা বলেন নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী। এর আগে, তিনি টেকনাফ স্থলবন্দর ঘুরে দেখেন এবং সেখানে একটি সংক্ষিপ্ত বৈঠকে মিলিত হন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কে এম তারিকুল ইসলাম, নৌ-পরিবহন অধিদফতরের মহাপরিচালক কমডো জালাল উদ্দিন, টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নুরুল আলম, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মু. আবুল মনসুর, কোস্টগার্ড টেকনাফ স্টেশনের কর্মকর্তা লে. কমান্ডার শেখ মিজবাহ উদ্দিন আহমদ, টেকনাফ মডেল থানার ওসি হাফিজুর রহমান, টেকনাফ স্থলবন্দরের ব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন চৌধুরী ও হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।
প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দেশে যত বেশি পর্যটক ভ্রমণে আসবে, অর্থনৈতিক সক্ষমতা তত বাড়বে। প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন রক্ষায় সেখানে পরিবেশ অধিদপ্তরসহ বিভিন্ন সংস্থা কাজ করছেন। বাংলাদেশ একটি মাত্র দেশ যা জলবায়ু মোকাবেলায় নিজস্ব অর্থায়ান গঠন করেছে। তাছাড়া মিয়ানর সঙ্গে আমাদের সব ধরনের যোগাযোগ রয়েছে। ’
তিনি আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার জায়গায় নিয়ে গেছেন। তিনি আমাদের আলোকবর্তিকা। তার আলোয় আলোকিত হচ্ছে দেশ। মিয়ানমারসহ সব প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ সর্ম্পক রেখে আমরা এগিয়ে যেতে চাই। সেভাবে আমাদের সর্ম্পক চলমান রয়েছে ও থাকবে। দেশে এক সময় সার্বিক অবকাঠামো অনেক দুর্বল ছিল। একসময় টেকনাফে আসতে ৬-৭ ঘণ্টা সময় ব্যয় হতো। আর এখন ঘণ্টাখানেক সময়ে পৌঁছানো যায়।’
পরে বিকালে তিনি সেন্টমার্টিনের উদ্দ্যেশে টেকনাফ স্থলবন্দর ত্যাগ করেন।








