বগুড়ার শাজাহানপুরে বেলপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের দুই স্কুলশিক্ষককে মারধর করার অভিযোগ পাওয়া গেছে আল-আমিন নামে স্থানীয় এক যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
শুক্রবার সকালে ওই বিদ্যালয়ে বই বিতরণের আগে শিক্ষার্থীদের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
বেলপুকুর উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক খন্দকার ওয়াদুদ হোসেন অভিযোগ করে বলেন, আল-আমিন মাঝিরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক। তিনি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হতে না পেরে ক্ষুব্ধ হন। এ জন্য তিনি তাকে (প্রধান শিক্ষক) ও কয়েকজন শিক্ষককে দায়ী করেন। শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে স্কুলে বই বিতরণ উৎসবের প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় আল-আমিন স্কুলে এসে ছাত্র-ছাত্রীদের সামনে সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও রোকন উদ্দিন খানকে মারধর করেন। এ ঘটনায় শিক্ষকদের মাঝে প্রচণ্ড ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ১টার দিকে আল-আমিন সহকারী প্রধান শিক্ষক ফজলুল হককে মারধর করেছেন। এর আগে গত ২০১৩ সালের অক্টোবরে যুবলীগ নেতা একই কারণে তাকে, সহকারী শিক্ষক জাহাঙ্গীর আলম ও অফিস সহকারী শাজাহান আলীকে বেদম মারপিট করেছিলেন। এ সময় তার ছয় বছরের শিশুকেও মারধর করা হয় বলে তিনি জানান।
প্রধান শিক্ষক খন্দকার ওয়াদুদ হোসেন জানান, বিষয়টি উপজেলা চেয়ারম্যান সরকার বাদল ও নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রুবায়েত খানকে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছে। এ ব্যাপারে লিখিতভাবে অভিযোগ দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
অভিযুক্ত মাঝিরা ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আল-আমিনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, শুক্রবার সকালে স্কুলে গেলেও কোনও শিক্ষককে মারধর করেননি। এটা তার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র। তার ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করার চেষ্টা চলছে।
/আরএ/






