ইটভাটা স্থাপনের ক্ষেত্রে নিষিদ্ধ এলাকার দূরত্ব কমানোর দাবিতে যশোরে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধন থেকে দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আগামী ৯ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইট বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দাবি আদায় না হলে আগামী বছর থেকে ইট উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশ ইট প্রস্তুতকারী মালিক সমিতি যশোরের উদ্যোগে বৃহস্পতিবার (৪ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় যশোর প্রেস ক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধনে ইটভাটার মালিকরা ছাড়াও সহস্রাধিক ইটভাটার শ্রমিক অংশগ্রহণ করেন। এ সময় মালিক সভাপতি আব্দুল মালেক জানান, সরকারি নির্দেশনার কারণে কোটি টাকা ব্যয় করে দেশের ড্রাম-চিমনির ইটভাটার মালিকরা তাদের ইটভাটাগুলো জিগজ্যাগ ভাটায় রূপান্তরিত করে। বর্তমানে ৮০ শতাংশ ভাটাই জিগজ্যাগ ভাটা। ২০১৩ সালের ইটভাটা নিয়ন্ত্রণ আইনে জিগজ্যাগ ভাটা বৈধ উল্লেখ করলেও ৮ নম্বর উপধারায় ইটভাটার নিষিদ্ধ এলাকার দূরত্ব এক হাজার মিটার করা হয়। ওই ধারায় উল্লেখ করা হয় রেলপথ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল, ক্লিনিক, গবেষণা প্রতিষ্ঠান বা অনুরূপ কোনও প্রতিষ্ঠান থেকে এ দূরত্ব বজায় রাখতে হবে। জনবহুল এ দেশে এই আইন কার্যকর হওয়া দুরূহ ব্যাপার। যে কারণে তারা নিষিদ্ধ এলাকার দূরত্ব ৪৫০ মিটারের দাবি করে আসছেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ‘আইনের ৮ নম্বর উপধারার কারণে পরিবেশ অধিদফতর ২০১৭ সাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া বন্ধ রেখেছে। ফলে ইটভাটায় অহরহ অভিযান চালিয়ে ভাটা ভেঙে দিয়ে কোটি কোটি টাকার ক্ষতি করা হচ্ছে। এভাবে চললে তারা ইট উৎপাদন করতে ব্যর্থ হবেন। এ অবস্থায় আইনের ৮ নম্বর উপধারা সংশোধনের দাবি জানান তারা। অন্যথায় আগামী ৯ থেকে ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ইট বিক্রি বন্ধের ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। দাবি আদায় না হলে আগামী বছর থেকে ইট উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়।’








