ছয় নৌযান শ্রমিককে মারধরের ঘটনায় দোষীদের শাস্তিসহ সাত দফা দাবিতে মুন্সীগঞ্জে দ্বিতীয় দিনের মতো ধর্মঘট চলছে। এতে নদীপথে চলাচলকারী প্রায় ১৫ হাজার কার্গো বন্ধ রয়েছে। ধর্মঘটের কারণে কাঁচামালসহ বিভিন্ন পণ্যবাহী জাহাজও আটকা পড়েছে।
এদিকে, মুন্সীগঞ্জ শহরের লঞ্চঘাট এলাকায় বৃহস্পতিবারও বিক্ষোভ, মিছিল ও সমাবেশ করেছে শ্রমিকরা।
মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১২টায় বাংলাদেশ নৌ-যান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়ন এ ধর্মঘট ডাকে।
সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মুন্সীগঞ্জ জেলা সভাপতি মো. তাইজুল ইসলাম বাদশা, বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় অর্থ বিষয়ক সম্পাদক ও নৌযান শ্রমিকলীগ নারায়ণগঞ্জ জেলা সভাপতি মো. আনিসুর রহমান,বাংলাদেশ জাহাজী শ্রমিক ফেডারেশন নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মো. কবির হোসেনসহ আরও অনেকে।
বাংলাদেশ নৌযান শ্রমিক ও কর্মচারী ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মুন্সীগঞ্জ জেলা সভাপতি মো. তাইজুল ইসলাম বাদশা বলেন, ’নদীপথে যেভাবে রিফাত ট্রেডার্স ও বিভিন্ন সন্ত্রাসীরা চাঁদাবাজি করে আসছে তাতে আমাদের শ্রমিকরা নিরাপদে যান পরিচালনা করতে পারছে না। প্রশাসনকে একাধিকবার লিখিত ও মৌখিকভাবে জানালেও কোনও প্রতিকার পাওয়া যায়নি । যে পর্যন্ত আমাদের সাত দফা দাবি আদায় না হবে আমরা ধর্মঘট অব্যাহত রাখবো।’
উল্লেখ্য, মঙ্গলবার বিকাল ৪টার দিকে মেঘনা নদীতে চরকিশোরগঞ্জ এলাকার রিফাত ট্রেডার্সের মালিক ইমাম হোসেনের সন্ত্রাসী বাহিনীর লোকজনের হামলায় ছয় নৌযান শ্রমিক গুরুতর আহত হন।
/বিটি/টিএন/








