কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে দক্ষিণ-পশ্চিম অঞ্চল থেকে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের হাটে গরু নিয়ে ছুটছেন ব্যবসায়ী ও খামারিরা। এ জন্য রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পারাপার হচ্ছে কোরবানির প্রাণীবাহী ট্রাক। দৌলতদিয়া ঘাটের নিরাপত্তা ও চাঁদাবাজি রোধে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করেছে জেলা পুলিশ।
ফেরির টিকিট বুকিং কাউন্টার থেকে ট্রাকের চালক ও হেলপাররা টিকিট নিয়ে ফেরি পারাপার হচ্ছেন। একাধিক ট্রাকচালক বলেন, ‘ঘাটে দালাল ছাড়াই নিজেরা সরকার নির্ধারিত মূল্যে ফেরি পারাপারের টিকিট কাটছি।’ যানজট ছাড়া নিরাপদে ফেরিতে উঠতে পেরে তারা সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বরিশাল, কুষ্টিয়া ও যশোরসহ বিভিন্ন জেলা থেকে আসা কয়েকজন গরু ব্যবসায়ী জানান, মহাসড়ক বা ফেরিঘাট চাঁদাবাজি হচ্ছে না। এ বছর তারা নিরাপদে গরু নিয়ে হাটে পৌঁছাতে পারছেন।
বিআইডব্লিউটিসির দৌলতদিয়া ঘাট শাখার সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) নুর আহমদ ভূঁইয়া বলেন, ‘দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে সুন্দরভাবে প্রাণীবাহী ট্রাক পার হচ্ছে। ফেরির টিকিট বুকিং কাউন্টার থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সুযোগ নেই। দালালদের হাতে কোনও টিকিট দেওয়া হবে না। ট্রাকের চালক অথবা হেলপারের কাছে দেওয়া হবে।’
গোয়ালন্দ ঘাট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) স্বপন কুমার মজুমদার বলেন, ‘প্রাণীবাহী ট্রাক যাতে ফেরি পারাপারে, ঘাটে ও মহাসড়কে নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারে সেজন্য ফেরিঘাটে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। প্রাণীবাহী ট্রাক থেকে কেউ যেন অতিরিক্ত টোল অথবা ভাড়া নিতে না পারে সেজন্য প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টি থাকবে। কেউ কোনও রকম চাঁদাবাজি করলে কঠোরভাবে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’








