বাংলাদেশ ইসলামী আন্দোলনের নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম ফরিদপুর গণসমাবেশে বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা সরকারের এমপি-মন্ত্রীরা জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন ও অর্থ পাচারসহ বিভিন্ন প্রকার অপকর্মে লিপ্ত ছিল। বিগত সরকার যে পরিমাণ অত্যাচার-নিপীড়ন করেছে তা এ দেশের মানুষ ভুলতে পারবে না। আওয়ামী লীগ সরকারে থাকা পলাতকদের অবিলম্বে দেশের মাটিতে ফিরিয়ে এনে বিচারের মুখোমুখি দাঁড় করাতে হবে। সেই সঙ্গে দুর্নীতিবাজদের অবৈধ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার ঘোষণা দিতে হবে।’
সোমবার বিকালে ইসলামী আন্দোলন ফরিদপুর জেলার আয়োজনে শহরের জনতা ব্যাংকের মোড়ে গণসমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সমালোচনা করে মুফতি ফয়জুল করীম বলেন, ‘১৯৭১ সালের পর থেকে দেশ স্বাধীনতা অর্জন করলেও জনগণ অধিকার ও বাক স্বাধীনতা হারিয়ে ফেলেছিলেন। তবে ছাত্র-জনতা যে বিপ্লব ঘটিয়েছেন, মানুষ আজ নতুন করে স্বপ্ন দেখছে স্বৈরাচারী সরকারের পতনের পর নতুন সম্ভাবনাময় এক বাংলাদেশের। তীব্র আন্দোলনের মুখে গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পদত্যাগ করতে বাধ্য হয়।’
তিনি বলেন, ‘ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করলে জনগণের সম্পদ লুণ্ঠন হবে না, আমাদের নারীরা অবাধে ধর্ষণের শিকার হবেন না এবং অবৈধভাবে সম্পদ বিদেশে পাচার সম্ভব হবে না। ইসলামী রাষ্ট্র কায়েম করে দেশে সুশাসন ও সুষম অর্থ বণ্টনের মাধ্যমে সবাইকে প্রতিষ্ঠিত করা হবে।’
ইসলামী আন্দোলনের ফরিদপুর জেলা সভাপতি মুফতি মোস্তফা কামালের সভাপতিত্বে গণসমাবেশে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন– সংগঠনের জেলা সহ-সভাপতি মোহাম্মদ ওয়ালিউর রহমান রাসেল ও মাওলানা শাহ মো. জামাল উদ্দিন, সেক্রেটারি মিজানুর রহমান, ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন জেলা সভাপতি খন্দকার ওয়াহিদুজ্জামান, ইসলামী আন্দোলন ভাঙ্গা উপজেলার সভাপতি আলহাজ আব্দুল মান্নান মাতুব্বর, ইসলামী যুব আন্দোলন জেলা সভাপতি মো. সাইফুল ইসলাম, ইসলামী ছাত্র আন্দোলন ফরিদপুর জেলা সভাপতি রেজাওয়ান হোসাইন মল্লিকসহ অনেকে।








