মুন্সীগঞ্জে মঙ্গলবার ১০ ইউপিতে বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। ভোট কেন্দ্রের বাইরে সহিংসতায় বিএনপির ইউপি চেয়ারম্যান প্রার্থীসহ সাত জন আহত হয়েছেন। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিন রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।
এছাড়া ভ্রাম্যমাণ আদালত এক আওয়ামী লীগ কর্মীকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে। এদিকে নানা অনিয়মের অভিযোগে বিকাল ৩টার দিকে মধ্যপাড়া, বয়রাগাদি ও বালুরচর ইউপিতে বিএনপি ভোট বর্জনের ঘোষণা দেয়।
সিরাজদিখান উপজেলার মালখানগর, মধ্যপাড়া, ইছাপুরা, বয়রাগাদী, রশুনিয়া, বালুচর, লতব্দী, কোলা ও বাসাইল এবং জৈনসার ইউপিতে স্বতঃস্ফূর্ত ভোট গ্রহণ হয়েছে। তবে জৈনসার ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে একক প্রার্থী থাকায় এখানে ভোট হয়েছে সদস্য পদে।
জেলায় ৯ ইউপিতে ৩৫ চেয়ারম্যান প্রার্থী ভোটযুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছেন। ১০ ইউপিতে সাধারণ সদস্য পদে ১৮৯ জন ও সংরক্ষিত মহিলা সদস্য পদে ৩৭ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৯৪টি কেন্দ্রে ৩৭৩ টি বুথে ভোটগ্রহণ করা হয়। এখানে মোট ভোটার ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮১০ জন। তবে প্রাথমিক হিসাবে ৭০ শতাংশেরও বেশি ভোটার ভোট দিয়েছেন।
বিএনপির প্রার্থী আহত, হামলাকারীর ৬ মাসের জেল
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার রশুনিয়া ইউপির বিএনপি প্রার্থী আব্দুল খালেক শিকদারের (৬৫) ওপর আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান প্রার্থী ইকবাল হোসেনের সমর্থকরা হামলা চালায়। এই ঘটনায় মামুনুর রশীদ (৩৫) নামের একজনকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বালুরচরে ৩ পুলিশ আহত
সিরাজদিখান উপজেলার বালুরচর ইউনিয়নের খাসমহল বালুচর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের বাইরে দুই মেম্বার প্রার্থীর সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে তিন পুলিশসহ পাঁচ জন আহত হয়েছেন। পুলিশের আহত এএসআই রাজিব ও কনস্টেবল মেহেদি হাসান ও কনস্টেবল জুয়েলকে স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। দুপুরে এই ঘটনা ঘটে। ৫ নম্বর ওয়ার্ড কেন্দ্রে দুই মেম্বার প্রার্থীর সমর্থকদের এই সংঘর্ষে টেটা, জুইত্যা ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করা হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ তিন রাউন্ড গুলিবর্ষণ করে।
তিন ইউপিতে বিএনপির নির্বাচন বর্জন
মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে তিনটি ইউনিয়নে নির্বাচন বর্জন করেছে বিএনপি। এজেন্ট বের করে দেওয়া, জোর করে সিল মারাসহ নানা অভিযোগে ওই চারটি ইউনিয়নে পাঁচ জন প্রার্থী নির্বাচন বর্জন করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন। তারা বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ও স্বতন্ত্র প্রার্থী।
/এফএস/







