জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের ফল এখনও ঘোষণা করা সম্ভব হয়নি। এখন পর্যন্ত কেন্দ্রীয় সংসদের ২১টি হলের মধ্যে ১৫টিতে ভোট গণনা শেষ হয়েছে। বাকিগুলোতে চলছে গণনা।
হল সংসদের ভোট গণনা শেষ করার পর এখন চলছে কেন্দ্রীয় সংসদের ভোট গণনা। উভয়ক্ষেত্রেই ভোট ম্যানুয়ালি হাতে গণনা করা হচ্ছে।
জাকসু নির্বাচন কমিশনের সদস্য অধ্যাপক লুৎফুল এলাহী আজ শনিবার সকাল ৯টার দিকে বলেন, ‘মোট ১৫টি হলের ভোট গণনা শেষ। আশা করছি বাকি হলগুলোর ভোট গণনা বেলা ১টার মধ্যে শেষ হয়ে যাবে।’
ফল ঘোষণার অপেক্ষা বাড়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রার্থী ও সমর্থকরা।
এদিকে, অনিয়মের অভিযোগ এনে পদত্যাগ করেছেন নির্বাচন কমিশনের এক সদস্য অধ্যাপক মাফরুহী সাত্তার। তিনি ফার্মেসি বিভাগের অধ্যাপক ও জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম জাবি শাখার সভাপতি। তিনি বলেন, ‘নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত হয়নি, বিভিন্ন অনিয়ম হয়েছে। অনেক অভিযোগ উঠেছে। আমাকে বিভিন্নভাবে চাপ দেওয়া হয়েছে যাতে আমি পদত্যাগ না করি। গতকাল থেকেই আমার ওপর চাপ ছিল, তবুও আমি পদত্যাগ করছি। এখন পদত্যাগ না করলে পরে যদি অনিয়মের কথা বলি, তখন প্রশ্ন উঠবে কেন পদত্যাগ করিনি।’
তবে ইসলামী ছাত্রশিবির সমর্থিত সমন্বিত শিক্ষার্থী জোটের এজিএস প্রার্থী ফেরদৌস আল হাসান বলেন, ‘জাকসু নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেই নির্বাচন কমিশনের এক সদস্য পদত্যাগ করেছেন।’
পদত্যাগকারী কমিশনারকে উদ্দেশ করে ফেরদৌস আল হাসান আরও বলেন, ‘যুদ্ধের ময়দান থেকে তিনি লেজ গুটিয়ে পালিয়েছেন। নির্বাচনকে ঘিরে তার যে হীন ষড়যন্ত্র ছিল, সেটি বাস্তবায়ন করতে না পেরেই তিনি পদত্যাগ করেছেন।’
বৃহস্পতিবার জাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। এবারের নির্বাচনে মোট ভোটার ছিলেন ১১ হাজার ৭৪৩ জন। এর মধ্যে প্রায় ৬৭ থেকে ৬৮ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে অনানুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়।









