দল থেকে সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ভোটারদের উদ্দেশে বলেছেন, ‘আপনারা আমাকে দেখে এই নির্বাচনে ভোট দেবেন, কোনও মার্কা দেখে না।’ তিনি সোমবার বিকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডে আয়োজিত এক উঠান বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।
এ সময় রুমিন ফারহানা হাঁস মার্কা প্রতীকে নির্বাচন করতে আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, ‘আমি কোনও নির্দিষ্ট দলের প্রার্থী নই। ইনশাআল্লাহ আগামী ২২ তারিখ আপনারা আমার মার্কাটা জেনে যাবেন। আল্লাহ যদি সহায় হন, হাঁস মার্কা প্রতীক নিয়েই নির্বাচন করতে পারবো।’
তিনি সবাইকে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘আপনাদের সাক্ষী রেখে বলছি, এমপি চুরি না করলে, সরকারি হোক আর বেসরকারি হোক আর বিরোধী দলের হোক, স্বতন্ত্র হোক কাজে কিন্তু কোনও অসুবিধা হয় না। সরকারি এমপির বরাদ্দ যা, বেসরকারি এমপি বা স্বতন্ত্র এমপির বরাদ্দ কিন্তু সমান। তবে মুশকিল হচ্ছে, এমপি সাহেব রাখেন ৫০ পার্সেন্ট, এমপি সাহেবের চামচা রাখেন ২৫ পার্সেন্ট, আর ঠিকাদার ২৫ পার্সেন্ট থেকে ৫ ভাগের কাজ করেন। আর ২০ ভাগ চলে যায় তার পকেটে। এমপি চুরি করলে তো ঠিকাদার চুরি করবেই।
‘সে কারণেই আমি আপনাদের কাছে এই নির্বাচনে পাঁচটি বছর চেয়ে নিলাম। যদি আমি পরীক্ষায় পাস না করতে পারি, আপনারা আমাকে ভবিষ্যতে আর ভোট দেবেন না। আর যদি পরীক্ষায় পাস করি, যদি উন্নয়নের দৃশ্যমান ছোঁয়া আপনাদের এলাকায় লাগে, তাহলে আপনাদের কাছে আমার বিনীত অনুরোধ থাকবে, যে মানুষ সৎ শিক্ষিত যোগ্য, যে মানুষ আপনার হক মেরে নেবে না, যে মানুষ আপনার জন্য কাজ করবে– সেই মানুষটাকে আপনারা ভোট দেবেন। সেই মানুষটাকে কি আপনারা একবার সুযোগ দেবেন।’
রুমিন বলেন, ‘আমি যেহেতু স্বতন্ত্র প্রার্থী, অনেকে হয়তো বলার চেষ্টা করে– রুমিন ফারাহানাকে ভোট দিলে এই করবো, সেই করবো, কেন্দ্র দখল করবো, হেন করবো তেন করবো। এসব ভয়ভীতিতে কান দেবেন না। এ আসনের দিকে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের নজর থাকবে, আমি পরিষ্কার বলে দিলাম। আমার এই আসন নিয়ে কোনোরকম খেলার চেষ্টা যদি কেউ করে, দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। আমার শক্তি এলাকার ভোটাররা। আমার শক্তি আমার এলাকার ভাইয়েরা, আমার শক্তি আমার এলাকার মানুষের ভালোবাসা।’
বৈঠকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।








