বরিশালের গৌরনদী উপজেলায় এক স্কুলছাত্রীকে (১৫) ছয়দিন আটকে রেখে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার দিয়াসুর গ্রামে অভিযান চালিয়ে অপহৃত ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় অভিযুক্ত আহাদ কাজীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. আলাউদ্দিন মিলন জানান, মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য শনিবার বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ও ২২ ধারায় জবানবন্দির জন্য বরিশাল জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পাঠানো হয়।
স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে আহাদ কাজীসহ পাঁচজনকে আসামি করে ১০ মে গৌরনদী মডেল থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা করেন।
মামলায় বলা হয়েছে, উপজেলার আশোকাঠি গ্রামের ওই স্কুলছাত্রী (১৫) নিজ বাড়ি থেকে থ্রি-পিস নিয়ে গত ৭ মে সকাল ৯টার দিকে আশোকাঠি বাজারে দর্জির দোকানের উদ্দেশে রওনা দেয়।
পথে একই এলাকার বখাটে যুবক গার্মেন্ট কর্মচারী আহাদ কাজীর নেতৃত্বে ৪/৫ জন যুবক দুটি মোটরসাইকেলে এসে স্কুলছাত্রীর গতিরোধ করে। এ সময় বখাটে যুবকরা স্কুলছাত্রীকে জোরপূর্বক একটি মোটরসাইকেলে তুলে অপহরণ করে নিয়ে যায়।
এরপর অপহৃত স্কুলছাত্রীকে অপহরণকারীরা ঢাকায় ও উজিরপুরে ঘনিষ্ঠ আত্মীয়দের বাড়িতে আটকে রেখে ধর্ষণ করে আহাদ কাজী।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গৌরনদী মডেল থানার এসআই মেহেদী হাসান একদল পুলিশ নিয়ে শুক্রবার গভীর রাতে দিয়াসুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে ওই স্কুলছাত্রীকে উদ্ধার ও ধর্ষক আহাদ কাজীকে গ্রেফতার করে।
আরও পড়ুন:
বজ্রাঘাতে নিহতের লাশ পাহারায় কাটছে স্বজনদের রাত
/বিটি/







