পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়া উপজেলায় সন্ত্রাসী হামলায় ফুল মিয়া খান (৪২)নামে একজন নিহত ও তিনজন আহত হয়েছেন। রবিবার রাত দশটার দিকে উপজেলার ইকড়ি ইউনিয়নের পশ্চিম ইকড়ি গ্রামে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন, এমাদুল হক খান (৪৫), মো. শাহজাহান খান (৫০) ও আব্দুল জলিল মুন্সী (৪২)।
এই সন্ত্রাসী হামলাকে নির্বাচনি সহিংসতা বলে দাবি করেছেন জাতীয় পার্টির এক চেয়ারম্যান প্রার্থী। তবে আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থীর এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। অন্যদিকে পুলিশ বলছে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধ।
জানা গেছে, রবিবার রাতে ফুল মিয়া খান, এমাদুল হক খান, শাহজাহান খান ও আব্দুল জলিল মুন্সী ইকড়ি বাস স্ট্যান্ড থেকে হেঁটে বাড়ি ফিরছিলেন। রাত সারে দশটার দিকে পশ্চিম ইকড়ি আকন বাড়ির পোলের কাছে গেলে সেখানে ওৎঁ পেতে থাকা সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে তাদের ওপর হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা তাদের কুপিয়ে জখম করে সেখানে ফেলে রেখে যায়। আহতদের চিৎকারে এলাকাবাসী এগিয়ে এসে তাদের উদ্ধার করে ভাণ্ডারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে তাদের বরিশাল শেরেবাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে ফুলমিয়া খানের মৃত্যু হয়।
ইকড়ি ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির (জেপি) চেয়ারম্যান প্রার্থী আব্দুল হাই হাওলাদার অভিযোগ করে বলেন, সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ও আহতরা সবাই আমার কর্মী। কর্মীদের ওপর হামলার জন্য তিনি আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান প্রার্থী হুমায়ূন কবীরের সমর্থকদের দায়ী করেছেন।
তবে হুমায়ূন কবীর এই অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার কোনও কর্মী এই হামলার সঙ্গে জড়িত না।
ভাণ্ডারিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার বলেন, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।
উল্লেখ্য প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচনে ইকড়ি ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ইকড়ি বোর্ড স্কুল ভোট কেন্দ্রে ব্যালট পেপার ও ভোট বাক্স ছিনতাইয়ের চেষ্টা ও সহিংসতার অভিযোগে ভোট গ্রহণ স্থগিত করা হয়। খুব স্বল্প সময়ের মধ্যে সেখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
/জেবি/
আরও পড়তে পারেন : সুনামগঞ্জে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের তালিকা তৈরি করছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো







