বরগুনা সদর উপজেলার দুই গ্রামে তিনটি বাড়িতে ডাকাতি হয়েছে। ডাকাতরা প্রায় ৩৪ ভরি স্বর্ণালংকার, সাড়ে ছয় লাখ টাকা ও মালামাল নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন ভুত্তভোগীরা। সোমবার মধ্যরাতে সদর উপজেলার পোটকাখালী ও কুমরাখালী গ্রামে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।
ডাকাত দলের হামলায় ১২ জন আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে চারজনকে বরগুনা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তারা হলেন, খাইরুন্নেছা লাভলী (৩৫), জান্নাতুল প্রিয়া (২০), হাসান (১৪) ও আল আমিন (১৬)।
ভুক্তভোগী সদর ইউনিয়নের ইউপি সদস্য গোলম মোস্তফা অরুন জানান, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে বাড়ির দরজা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে ১০-১২ জনের ডাকাত দল। এ সময় আমার স্ত্রী খায়রুন্নেছা ও মেয়ে প্রিয়াকে কুপিয়ে জখম করে তারা। একইসঙ্গে আমার বাসায় থাকা আরও পাঁচজনকে পিটিয়ে আহত করে। ডাকাতরা আমার ঘরে থাকা ১২ ভরি স্বর্ণালংকার ও নগদ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যায়।
এরপর রাত পৌনে ৩ টার দিকে ডাকাত দল কুমরাখালী গ্রামের ইটভাটা মালিক গোলাম মোস্তফার বাড়িতে হানা দেয়। গোলাম মোস্তফা জানান, দরজা ভেঙে ডাকাতরা ঘরে ঢুকেই হামলা শুরু করে। হামলায় ছেলে সিফাতসহ তিনজন আহত হয়। পরে ডাকাত দল ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ ৫০ হাজার টাকা ও জরুরি কাগজপত্রসহ জমির দলিল লুট করে নিয়ে যায়।
সর্বশেষ কুমরাখালী এলাকার শহীদ ব্যাপারির বাড়িতে হামলা চালায় ডাকাতরা। শহীদ ব্যাপারি সাংবাদিকদের জানান, ডিবি পরিচয় দিয়ে ঘুম থেকে জাগিয়ে ঘর তল্লাশির কথা বলে তারা ভেতরে প্রবেশ করে। ঘরের সবাইকে বেঁধে টাকা ও স্বর্ণের জন্য মারধর করে পাঁচ লাখ টাকা ও ১২ ভরি স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। এ সময় ডাকাতের হামলায় চারজন আহত হয়।
এ বিষয়ে বরগুনা পুলিশ সুপার বিজয় বসাক পিপিএম বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। ডাকাত দলকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ বিষয়ে আমরা আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।
আরও পড়ুন:
মেজর জিয়া ও তামিম চৌধুরীকে ধরিয়ে দিতে ৪০ লাখ টাকা পুরস্কার ঘোষণা
‘কল্যাণপুরে নিহত ৯ জঙ্গির একজন ছিল লিবিয়ায়’
/বিটি/







