বঙ্গোপসাগরে ঝড়ের কবলে পড়ে দুটি মাছ ধরার ট্রলার ডুবে ১৬ জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। উদ্ধার করা হয়েছে ১৩ জেলেকে। সোম ও মঙ্গলবার রাতে বরগুনার পাথরঘাটা থেকে ১২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে বঙ্গোপসাগরের ফেয়ারওয়ে ও আলোর কোল এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ডুবে যাওয়া ট্রলার দুটি হলো বরগুনার এফবি অভি ও ও পাথরঘাটার এফবি ভাইবোন। এফবি অভি ট্রলারের মালিক আশুতোষ সরকার ও জেলা মৎস্যজীবী ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী দুর্ঘটনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
এফবি অভি ট্রলারের নিখোঁজ জেলেরা হলেন সেলিম মাঝি,আবু, হাসান-১, হাসান-২ কনু, মিলন,সালেক ও হাবিব। এফবি ভাইবোন ট্রলারের নিখোঁজদের মধ্যে খলিল, কনু, আলম, ঈসা ও হোসেন মীরের নাম জানা গেছে।
এফবি অভি ট্রলারের মালিক আশুতোষ সরকার জানান, মাছ ধরার জন্য এফবি অভি বঙ্গোপসাগরে গেলে সোমবার ফেয়ারওয়ে এলাকায় ঝড়ের কবলে পরে ট্রলারটি ডুবে যায়। এ সময় ভারতীয় একটি ট্রলার ৯ জেলেকে উদ্ধার করে বাংলাদেশি একটি ট্রলারে উঠিয়ে দেয়।
এফবি অভি ট্রলার থেকে উদ্ধার হয়ে আসা মো. আরিফ জানান, ফেয়ারওয়ে এলাকার কাছে ঝড়ের কবলে পড়লে ট্রলাটির ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়। একপর্যায়ে ট্রলারটি ডুবে যায়। পরে ট্রলারে থাকা ৯ জনকে উদ্ধার করা হলেও বাকি আট জেলে নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজ জেলেদের বাড়ি বরগুনা সদর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
অন্যদিকে, জেলা মৎস্য ট্রলার মালিক সমিতির সভাপতি গোলাম মোস্তফা চৌধুরী জানান, বঙ্গোপসাগরের আলোর কোল এলাকায় মঙ্গলবার রাতে এফবি ভাইবোন নামে মাছ ধরার ট্রলারটি ঝড়ের কবলে পরে ডুবে যায়। ট্রলারে থাকা ১২ জেলের মধ্যে চার জেলে উদ্ধার হলেও আট জেলে নিখোঁজ রয়েছেন।
তিনি আরও জানান, ঝড়ের কবলে পড়া শতাধিক ট্রলারের সঙ্গে যোগাযোগ বিছিন্ন রয়েছে। একইসঙ্গে নিখোঁজ জেলেদের উদ্ধারে স্থানীয় ট্রলারগুলো চেষ্টা চালাচ্ছে বলেও জানান তিনি।
আরও পড়ুন:
সিরিজ বোমা হামলার ১১ বছর: উত্থান ঘটেছে নব্য জেএমবির
/বিটি/








