পুলিশের পোশাক পরে স্বর্ণের দোকানে ডাকাতি

বরিশাল প্রতিনিধি
০৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৫:৪৭আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:০৪

মুলাদী উপজেলা বন্দরের ৪টি দোকানে ডাকাতি হওয়ার পর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম

বরিশালের মুলাদী উপজেলা বন্দরের ৩টি স্বর্ণ ও একটি মুদি দোকানে পুলিশের পোশাক পরে ডাকাতি করা হয়েছে। খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালালেও ডাকাতরা ৫/৬টি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের দাবি নগদ অর্থসহ ২৫ থেকে ৩০ লাখ টাকার মালামাল লুট হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম।

ডাকাতি হওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো, বণিক কর্মকারের জননী জুয়েলার্স, সুরেশ কর্মকারের রিতা জুয়েলার্স ও প্রফুল্ল কর্মকারের বনশ্রী জুয়েলার্স এবং মুদি দোকান রহমত স্টোর্স।

বণিক, সুরেশ ও প্রফুল্ল কর্মকার জানান, প্রতিদিনের মতো সোমবার রাতে তারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে বাড়িতে চলে যান। রাত আড়াইটার দিকে তারা খবর পান বন্দরে ডাকাত পড়েছে। ডাকাতরা প্রথমে রহমত স্টোর্স ভাঙচুর করে সেখান থেকে নগদ অর্থ লুট করে। পরে তাদের মালিকানাধীন ৩টি জুয়েলার্সের তালা কেটে স্বর্ণ ও নগদ অর্থ নিয়ে যায়। এর আগে তারা বাজারের ৫  পাহারাদারকে বেঁধে রহমতের মুদি দোকানের গোডাউনে রাখে।

এর মধ্যে পাহারাদার বাবুল কোনওভাবে ছুটে গিয়ে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ গাড়ি নিয়ে বাজারে পৌঁছলে ডাকাত দল তাদের লক্ষ্য করে ৫ থেকে ৬টি বোমা বিস্ফোরণ ঘটায়। ডাকাত দলে থাকা ১৪/১৫ জনের মধ্যে ৬ থেকে ৭ জন পুলিশের পোশাক এবং কয়েকজন ডাকাতের মুখোশ পরা ছিল।

পুলিশের অভিযানের সময় বাজার সংলগ্ন নয়াভাঙ্গুলী নদীতে থাকা ট্রলারে করে ৬ ডাকাত পালিয়ে যায়। বাকীরা বিভিন্ন স্থান দিয়ে পালিয়ে যায়। ব্যবসায়ীদের ধারণা সোমবার বিকেল থেকেই ডাকাতরা বাজারে অবস্থান করছিল। গভীর রাতে সুযোগ বুঝে তারা ঘণ্টাব্যাপী ডাকাতি করে।

এ ঘটনার পর বাজার পরিদর্শন করে পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম স্বল্প সময়ের মধ্যে ডাকাতদের আটক করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে ব্যবাসায়ীদের আশ্বস্ত করেন।

মুলাদী থানার ওসি ফয়েজ আহম্মেদ বলেন,‘ঘটনার পর পরই ডাকাতদের ‍আটকে অভিযান চালানো হলেও ডাকাতরা পালিয়ে ‍যায়। তাদের ‍আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।

ওসি ‍আরও জানান, বাজারের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তায় তাদের নিয়ে বৈঠক করেছি। ‍এরপর যাতে ‍এ ধরনের কোনও ঘটনা ঘটিয়ে ডাকাতরা পালিয়ে যেতে না পেরে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপও নেওয়া হচ্ছে।

 

/জেবি/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম