শরীয়তপুর সদর উপজেলার নড়িয়া সরকারি হাসপাতালের এক চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও লন্ডন প্রবাসী পরিবারের জমি দখল করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে। এর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
মঙ্গলবার (০৬ জুলাই) দুপুরে শরীয়তপুর ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের কক্ষে সংবাদ সম্মেলন করেন নড়িয়া সরকারি হাসপাতালের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ও তুলাসার গ্রামের বাসিন্দা আলেয়া বেগম।
ভুক্তভোগী পরিবার জানায়, তুলাসার গ্রামের ৭৯নং তুলাসার মৌজার এস.এ ৯২, ৮২, ৮৯ নম্বর খতিয়ানে ২১৩ নম্বর দাগে ৪০ শতাংশ জমিটি নড়িয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী আলেয়া বেগম ও তার ছোট ভাই লন্ডন প্রবাসী দ্বীল মোহাম্মদ খান গংদের। কিন্তু এই সম্পত্তি স্থানীয় মোকফর উদ্দিন খান (৪৫), মোশারফ খান (৪০), মমিন উদ্দিন খান (৬৫) ও নূর মোহাম্মদ খান (৩৫) দীর্ঘদিন দরে জোরপূর্বক ভোগদখল করছেন।
সম্পত্তি নিয়ে শরীয়তপুর আদালতে দেওয়ানী মামলা করেন আলেয়া। মামলায় রায়ও দেওয়া হয়। কিন্তু রায়ের বিরুদ্ধে মোকফর খান গংরা হাইকোর্টে সিভিল রিভিশন মামলা করেন। এই মামলাতেও রায় পান আলেয়া। আদালতের রায় উপেক্ষা করে সেই জমিতে চারতলা ভবন ও ঘর তুলেছেন মোকফর খান গংরা।
আলেয়া বেগম বলেন, ‘পৈত্রিক ও ক্রয় করা ৪০ শতাংশ জমি আমাদের। সেই জমি জোরপূর্বক দখল করে চারতলা ভবন ও ঘর-দরজা তুলছেন মোকফর উদ্দিন, মোশারফ, মমিন উদ্দিন ও নূর মোহাম্মদরা। বাধা দিতে গেলে আমাদের মারধর নির্যাতন করেন তারা। আমি তাদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করেছি। আমরা আমাদের জমি ফিরে পেতে চাই।’
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত মকফর উদ্দিন জানান, ‘আমি আমার পৈত্রিক সম্পত্তিতে ভবন নির্মাণ করছি। তারা কোনও কাগজপত্র দেখাতে পারেনি। ছেলেমেয়ে বড় হয়েছে, তাই আমি আমার জায়গায় ভবন নির্মাণ করছি।’









