বরিশাল নগরীর কালুশাহ সড়কের একটি বাসায় শিশু গৃহপরিচারিকা মুক্তা খানমকে (৮) নির্যাতনের ঘটনায় শনিবার সকালে কোতোয়ালি থানায় মামলা করা হয়েছে। কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই দেলোয়ার হোসেন বাদী হয়ে শিশু নির্যাতন আইনের ২০১৩/৭০ ধারায় মামলাটি করেন।
মুক্তাকে নির্যাতনের ঘটনায় শুক্রবার রাতে গৃহকর্তা নুরুল আহাদ রানাকে আটক করা হয়। শনিবার দুপুরে তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। তিনি একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার।
পুলিশ জানিয়েছে, মামলার অপর আসামি নুরুল আহাদের স্ত্রী নুসরাত জাহান পিংকিকে গ্রেফতারের জন্য অভিযান চলছে।
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. শাখায়াত হোসেন জানান, শুক্রবার রাতে উদ্ধারকৃত মুক্তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে থানার ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারে রাখা হয়েছে। মুক্তার বাড়ি ভোলা জেলায়। সে তার মায়ের নাম তাসলিমা সুরমা বলতে পারলেও বাবার নাম শুধু 'মাঝি' বলছে। ফাইমা নামে ভোলার এক নারী এক বছর আগে তাকে নুরুল আহাদের বাসায় কাজের জন্য নিয়ে আসে।
গৃহকর্তা ও তার স্ত্রী নুসরাত জাহান পিংকি তাকে প্রায়ই মারধর করতো। শুক্রবার বিকেলেও মুক্তাকে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়। তাদের নির্যাতন সইতে না পেরে সন্ধ্যায় বাসা থেকে পালিয়ে আসে মুক্তা। এ সময় স্থানীয়রা তাকে দেখে পুলিশে খবর দেন। পরে পুলিশ এসে মুক্তাকে উদ্ধার করে। ওই রাতেই অভিযান চালিয়ে পুলিশ গৃহকর্তা রানাকে আটক করে। মুক্তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
ওসি জানান,গৃহকর্তী নুসরাত জাহান পিকিং ও ভোলার ফাইমাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
/জেবি/এমপি/







