ফেনীর বিভিন্ন পুকুর ও জলাশয়ে উৎপাদিত মাছ জেলার ছয় উপজেলার চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ হচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়। ২০১৫-১৬ অর্থবছরে জেলার ২০ হাজার ৭৬৪.৮০ মেট্রিক টন চাহিদার বিপরীতে উৎপাদিত হয়েছে ২১ হাজার ৮৮৩.৮৬ মেট্রিক টন মাছ।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা সুনীল চন্দ্র ঘোষ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, সম্প্রতি রোয়ানুর প্রভাবে সোনাগাজীতে ১ কোটি ২৫ লাখ টাকার মত ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি না হলে মাছের উৎপাদন আরও বেড়ে যেত। বিগত চার বছরে মৎস্য খাত থেকে প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে ৬.২২ শতাংশ যা জাতীয় আয়ের ৩.৫ ভাগ।
সূত্র জানায়,সরকারিভাবে ৪০.৯০ আয়তনের (হেক্টর) ১১১টি পুকুর ও দীঘিতে ১১৩.৯৩ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়। বেসরকারিভাবে ৪ হাজার ২৭০ হেক্টর জমিতে ৪৬ হাজার ৫৬০টি পুকুর ও দীঘিতে ১৩ হাজার ৭৮৫.৩৯ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়। ৯৫৮.৫৭ হেক্টর জমিতে বেসরকারিভাবে ৩১৩টি মৎস্য খামারে ৪ হাজার ৮১১.০৫ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয়। ৪৪.৪৫ হেক্টর ধানের জমিতে ১৭৯টি স্থানে ৫৪.০৭ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদিত হয় এবং ৬.৩১ হেক্টর ধানের জমিতে ৪৫টি স্থানে ৩.১৫ মেট্রিকটন চিংড়ি মাছ উৎপাদিত হয়। ৫৫.৭১ হেক্টর জমিতে ৩০৪টি স্থানে গলদা চিংড়ি মিশ্র চাষ করে ১১.৮২ মেট্রিক টন উৎপাদিত হয়। ২ হাজার ৫৪২.৯২ হেক্টর জমিতে প্রাকৃতিক জলাশয়ে ২৭টি স্থান থেকে বিভিন্ন প্রজাতির ১ হাজার ৫৮৫.৮১ মেট্রিক টন মাছ উৎপাদন হয়। এছাড়াও ৩৩.৩১ হেক্টর জমিতে ১৭টি হ্যাচারি থেকে ২৩.৬১ মেট্রিক টন রেণু উৎপাদিত হয়।
আরও পড়ুন:
নিখোঁজ ২৬২ জনের তালিকায় আছে ডাক্তার, প্রকৌশলী ও পাইলট
/বিটি/







