চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড উপজেলায় ছায়ানীড়ের জঙ্গি আস্তানায় নিহত কামাল হোসেন ও তার স্ত্রী জোবাইরা ইয়াসমিন এবং কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলায় আটক হাসানের বসতঘর পরিদর্শন করেছেন বান্দরবানের পুলিশ সুপার সঞ্জিত কুমার রায়। এছাড়াও তিনি রবিবার দুপুর ১টায় নাইক্ষ্যংছড়ির বাইশারী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে স্থানীয়দের সঙ্গে জরুরি মতবিনিময় করেন।
এ সময় তিনি জঙ্গিবাদ নির্মূলে এলাকাবাসীর পাশাপাশি প্রতিটি মসজিদের ইমাম, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সামাজিক সংগঠন, শিক্ষকসহ সাংবাদিকদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি প্রতিটি ওয়ার্ডের নিখোঁজ ব্যক্তি, রাবার বাগান শ্রমিকদের ছবিসহ তালিকা প্রণয়ন ও স্কুল-মাদ্রাসায় শিক্ষার্থীদের তিন মাসের অধিক অনুপস্থিতিদের তালিকা এবং বাইশারী-ঈদগড়-ঈদগাঁও সড়কে অপহরণ, মুক্তিপণ বাণিজ্য, ডাকাতিসহ বিভিন্ন বিষয়ে এলাকাবাসীর সঙ্গে মতবিনিময় করেন।
জরুরি মতবিনিময় সভা শেষে পুলিশ সুপার সাংবাদিকদের জানান, নিহত জোবাইরা ও কামালের বাবাকে লাশ গ্রহণ ও শনাক্তকরণের জন্য চট্টগ্রামের সীতাকুন্ড থানা পুলিশের কাছে পাঠানো হয়েছে। তিনি আরও জানান, আজ থেকে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ২০১৬ সালে চার মাসের ব্যবধানে বৌদ্ধ ভিক্ষু হত্যা, আওয়ামী লীগ নেতা মংশৈলু মার্মা হত্যা, বাইশারী বাজারে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণের ঘটনায় আটক ও নিহত জঙ্গিরা জড়িত কিনা সে বিষয়ে এখনো জানি না। তবে বিষয়টি মাথায় রেখে কাজ চলছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন) মাশরুফ, নাইক্ষ্যংছড়ি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এইচ.এম তৌহিদ কবির, ডি.আই.ওয়ান (পরিদর্শক) বাঁচা মিয়া, বাইশারী তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জ এসআই আবু মুসা, ইউপি চেয়ারম্যান মো. আলম, সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুল হক, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি জাহাঙ্গীর আলম বাহাদুরসহ সংবাদকর্মীরা।
/বিএল/








