স্বাভাবিক নিয়মে ফেনীতে পাসপোর্ট করতে গেলে হয়রানির শিকার হতে হয় বলে জানিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ফেনী জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা এ খবর নিশ্চিত করেছেন। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘ফেনীতে দালালের মাধ্যমে চুক্তির ভিত্তিতে পাসপোর্ট পাওয়া যায়। এর জন্য সাড়ে পাঁচ হাজার থেকে ১২ হাজার টাকা পর্যন্ত গুণতে হয় পাসপোর্ট গ্রহীতাকে। বুধবার (২৭ ডিসেম্বর) বিকালে ফেনী জেলা প্রশাসন পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালতে এমন তথ্যের সত্যতা মিলেছে। অভিযানে তিনি নেতৃত্ব দিয়েছেন।’
সোহেল রানা বলেন,‘স্বাভাবিক নিয়মে ফেনীতে পাসপোর্ট করতে গেলে হয়রানির শিকার হতে হয়— এ রকম তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালানো হয়। এসময় কেবি এজেন্সির সুবল চন্দ্র ভৌমিক ১২ হাজার টাকার বিনিময় একটি পাসপোর্ট করে দেওয়ার চুক্তি করেন। সেই টাকা নেওয়ার সময় সুবলকে পাসপোর্ট অফিসের সামনে থেকে তাকে হাতে-নাতে ধরা হয়।এজন্য তাকে দু’মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। একই সময় নূর এন্টারপ্রাইজের সামনে ইফতেখারুল নামে পাসপোর্ট করতে আসা আরেক গ্রাহকের সঙ্গে পাঁচ হাজার টাকা চুক্তি করে শাহরিয়ার নামের এক তরুণ। তাকেও ধরা হয় এবং দুই মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা বাংলা ট্রিবিউনকে আরও জানান, দণ্ডিতদের জবানবন্দিতে পাসপোর্ট অফিসে অনিয়মের তথ্য পাওয়া গেছে। দণ্ডিতরা আদালতকে জানিয়েছেন, রেগুলার পাসপোর্ট পেতে প্রতিটিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনে ৭শ’ টাকা, আর্জেন্টে ৮শ’ টাকা দিতে হয়। পাসপোর্ট অফিসে দিতে হয় ১১শ’ থেকে ১২শ’ টাকা। বাকি টাকা যায় দালালের পকেটে। সামনের দোকানগুলোতে ভিড় করে এজেন্টরা। পাসপোর্ট অফিসের সামনে দালালদের আস্তানা হলো নূর এন্টারপ্রাইজ।







