কুমিল্লায় এক তরুণীকে ধর্ষণের অভিযোগ জহিরুল ইসলাম (৩৫) নামে পুলিশ কনস্টেবলের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। শুক্রবার (১৩ জুলাই) জেলার মুরাদনগর উপজেলার ছালিয়াকান্দি ইউনিয়নের আমপাল গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ বিষয়ে ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেন। পরে রবিবার (১৫ জুলাই) দুপুরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে তার ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়।
অভিযুক্ত জহিরুল একই গ্রামের বাহার মিয়ার ছেলে। তিনি বর্তমানে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর থানায় কর্মরত রয়েছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মুরাদনগর উপজেলার আমপাল গ্রামের পুলিশ সদস্য জহিরুল ইসলামের সাথে পাশের বাড়ির মেয়ের (১৭) সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। দুই বছর তাদের মধ্যে এই সম্পর্ক ছিল।
ধর্ষণের শিকার ওই তরুণী জানায়, জহিরুলকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে সে নানাভাবে এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে এবং তাকে পুলিশ দিয়ে মিথ্যা মামলার ভয় দেখায়।
এদিকে গত শুক্রবার জহির রাত আনুমানিক ২টার দিকে ওই মেয়ের বাড়িতে এসে পাশের একটি বাড়িতে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে। এসময় ওই তরুণী চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন জহিরকে ঘেরাও করার চেষ্টা করলে সে কৌশলে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে শনিবার বিকালে পুলিশ এলাকায় গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করে।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মুরাদনগর থানার এসআই সোহেল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রাথমিকভাবে ঘটনার সত্যতা পেয়ে থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
মুরাদনগর থানার ওসি একেএম মনজুর আলম বলেন, ‘দুপুরে কুমেক হাসপাতালে ভিকটিমের ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। ’
তিনি আরও বলেন, ‘অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে নবীনগর থানায় কর্মরত পুলিশ জহিরুল ইসলামকে গ্রেফতার করে আদালতে সোপর্দ করার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।







