সমুদ্রপথে মালয়েশিয়াগামী ১০ রোহিঙ্গা উদ্ধার

টেকনাফ প্রতিনিধি
৩০ নভেম্বর ২০১৮, ০৯:২২আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০১৮, ০৯:২৯

উদ্ধারকৃত রোহিঙ্গারা সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া যাওয়ার সময় কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপ থেকে নারীসহ ১০ রোহিঙ্গাকে উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭ এর সদস্যরা। এসময় আবদুর রহমান (২৫) নামে এক দালালকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ ঘোলারচর মাঝার পাড়া থেকে তাদের উদ্ধার করা হয়। এদের মধ্যে ছয়জন নারীও রয়েছেন। তারা সবাই গত বছরের আগস্টের পরে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অভিযানের মুখে প্রাণ বাচাঁতে বাংলাদেশে পালিয়ে আসেন।

আবদুর রহমান সাবরাং ইউনিয়নের শাহপরীর দ্বীপ মাঝার পাড়ার ফজরুল হকের ছেলে। মালয়েশিগামীরা হলেন- মো. জিয়া, রশিদ ইল্লাহ, নুর আলম, মো. জাবের, মো. মোকাদেছা, জান্নাত আরা, সেতেরা, জোলেখা, রোজিনা, সলিকা। তারা সবাই উখিয়া কতুপালং, জাদিমুরা, মৌচনী ও টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরের বাসিন্দা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার র‌্যাব-৭ এর ইনচার্জ মেজর মেহেদী হাসান। তিনি জানান, শুক্রবার দিবাগত রাতে সমুদ্রপথে মালয়েশিয়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে শাহপরীর দ্বীপের বাসিন্দা আবদুর রহমানের বাড়িতে ওইসব রোহিঙ্গাদের জড়ো করে রাখা হয়েছে এমন গোপন সংবাদের খবর পেয়ে তার নেতৃত্বে র‌্যাব একটি দল ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। এসময় বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে রোহিঙ্গাদের উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় দালাল ও বাড়ির মালিক আবদুর রহমানকে আটক করা হয়। পাচারকারী সন্দেহে আটক আবদুর রহমান

উদ্ধার রোহিঙ্গাদের বরাত দিয়ে মেজর মেহেদী আরও বলেন, একদিন আগে প্রলোভন দেখিয়ে ১০ হাজার টাকা করে নিয়ে তাদের সেখানে নিয়ে আসে আবদুর রহমান। গভীর সাগরে একটি বড় ট্রলারে তাদের তুলে দেওয়া কথা ছিল। মালয়েশিয়া পৌঁছার পর আরও ২ লাখ টাকা করে দেওয়া কথা ছিল। রোহিঙ্গা নারীদের সেখানে বিয়ে দেওয়ার কথা বলে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তবে পাচারের আগেই তাদের উদ্ধার করা হয়। এঘটনায় মানবপাচার আইনে মামলা দিয়ে আটকদের টেকনাফ মডেল থানায় সোপর্দ করার প্রস্তুতি চলছে।

স্থানীয়রা জানায়, উখিয়া-টেকনাফের রোহিঙ্গা শিবিরে ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গার অবস্থান। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় মানবপাচারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে পাচারকারীরা। দালালের মাধ্যমে রোহিঙ্গারা মালয়েশিয়া যাওয়ার উদ্দেশে সাগরে নেমে বিপদে পড়ছেন।

 

/এফএস/
সম্পর্কিত
সর্বশেষ খবর
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
সীমান্তে কঠোর বিজিবি, ১০ পুশ-ইন চেষ্টা প্রতিহত
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
যুবদলের ১৫১ সদস্যের কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমোদন
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি: সবচেয়ে বেশি চাপে মধ্যবিত্ত
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
দেশে ফিরেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম