চট্টগ্রামের পাহাড়তলী বাজারে ‘গণপিটুনিতে’ নিহত সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মহিউদ্দিন সোহেলের মৃত্যুর ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করেছে তার পরিবার। মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) রাতে নিহত সোহেলের ছোট ভাই শাকিরুল ইসলাম শিশির এ মামলা দায়ের করেন। ডবলমুরিং থানার ওসি একে এম মহিউদ্দিন সেলিম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এক আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
মামলায় স্থানীয় কাউন্সিলর ও পাহাড়তলী বাজার ব্যবসায়ী সমিতির আহ্বায়ক সাবের আহমেদ ও জাতীয় পার্টির নেতা ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য ওসমান খানসহ ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে দেড়শতাধিক লোককে আসামি করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এর মধ্যে ওসমান খানকে বুধবার দুপুরে গ্রেফতার করে পুলিশ।
মহিউদ্দিন সেলিম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘রাতে সোহেলের ভাই শিশির থানায় এসে মামলা দায়ের করেন। মামলায় ২৭ জনের নাম উল্লেখ করে আসামি করার পাশাপাশি আরও দেড়শজনকে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ওসমান খানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’
এর আগে সোমবার (৭ জানুয়ারি) সকালে নগরীর ডবলমুরিং থানাধীন পাহাড়তলী বাজারের পাশে রেললাইন থেকে মহিউদ্দিন সোহেলের মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর পুলিশ জানিয়েছিল, চাঁদাবাজির অভিযোগে পাহাড়তলী বাজারের ব্যবসায়ী ও স্থানীয়রা মহিউদ্দিন সোহেলকে গণপিটুনি দিলে তার মৃত্যু হয়। তবে তার পরিবার দাবি করেছে সোহেল গণপিটুনিতে মারা যায়নি, তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৮ জানুয়ারি) চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে সোহেলের ছোট ভাই শিশির এ দাবি করেন।
সংবাদ সম্মেলনে শিশির বলেন, ‘মহিউদ্দিন সোহেল চাঁদাবাজ কিংবা সন্ত্রাসী ছিলেন না। তার পারিবারিক ঐতিহ্য আছে। তার সাংগঠনিক ভিত্তি ছিল। তিনি বাংলাদেশ রেলওয়ের একজন প্রথম শ্রেণির ঠিকাদার ছিলেন। পাহাড়তলী বাজার ও আশপাশের এলাকাকে মাদকমুক্ত করার ঘোষণা দেওয়ায় আমার ভাইকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে।’








