ফেনীতে যৌতুকের জন্য পিটিয়ে শিরিন আক্তার (২৬) নামের এক গৃহবধূকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (৬ মার্চ) সকাল ৯টায় সদর উপজেলার ফাজিলপুর গ্রামে শিরিনের স্বামী মোহাম্মদ ইয়াছিনসহ তার বাবা-মাকে আটক করেছে পুলিশ।
বোগদাদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই আবু তাহের এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেছেন, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে শিরিনের মরদেহ উদ্ধার করে । ময়নাতদন্তের পর তা ফেনী সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরণ করা হয়।
নিহত গৃহবধূর মা রেজিয়া বেগম বাংলা ট্রিবিউনের কাছে অভিযোগ করেছেন, চার মাস আগে পার্শ্ববর্তী গ্রামের আহছান উল্যাহর ছেলে ইয়াছিনের সঙ্গে বিয়ে হয় শিরিনের। ইয়াছিন পেশায় একজন সিএনজি অটোরিকশা চালক। তাই তাকে বিয়ের সময় যৌতুক হিসেবে সিএনজি অটোরিকশা বাবদ তিন লাখ টাকা দেওয়া হয়। এর মধ্যে সেটি নষ্ট হয়ে যাওয়ার অজুহাতে আবারও অর্থ দাবি করে ইয়াছিন।
রেজিয়া বেগম আরও দাবি করেন, ‘সেই অর্থ জোগাড় করার সামর্থ্য নেই জানালে শিরিনের ওপর অমানুষিক অমানুষিক শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন শুরু করে ইয়াসিন ও তার পরিবারের সদস্যরা। এই নির্যাতনেই তার মৃত্যু হয়েছে।’
নিহতের স্বামী মোহাম্মদ ইয়াছিন অভিযোগ অস্বীকার করে বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছেন, ‘বুধবার (৬ মার্চ) সকালে শিরিন ঘুম থেকে সুস্থভাবে উঠে খাওয়া-দাওয়া সারে। সকাল ৯টার দিকে সে হঠাৎ অসুস্থ্ হয়ে মাটিতে পড়ে যায়। স্থানীয় চিকিৎসককে ডেকে আনা হলে তিনি শিরিনকে মৃত ঘোষণা করেন।’
নিহত গৃহবধূর বোনের জামাই জহিরুল ইসলামের অভিযোগ, ‘শিরিনের হাতে ও বুকের বিভিন্ন অংশে আঘাতের দাগ দেখা গেছে। আশা করি এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।’








