ফেনী সদরে তিন বছরের শিশু শহিদুল ইসলাম আবির হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে সিআইডি। এ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত মাদক ব্যবসায়ী তৌহিদুল ইসলাম জনিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দিতে হত্যার দ্বায় স্বীকার করেছে জনি। শিশুটির বাবার সঙ্গে মাদক ব্যবসা নিয়ে দ্বন্দ্বের জেরে তাকে হত্যা করা হয় বলেও জনি স্বীকার করে।
বুধবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় ফেনী সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার আকতার হোসেনের কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে এ সব তথ্য জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়— জনি স্বীকারোক্তিতে বলেছে, শিশু আবিরের বাবা জসিম হাজারীর সঙ্গে মাদক ব্যবসা নিয়ে তার দ্বন্দ্ব ছিল। এরই জেরে ২০১৫ সালের ২৪ অক্টোবর সকালে আবিরকে চকলেটের লোভ দেখিয়ে খেলার মাঠ থেকে ডেকে নেয় সে। বাড়ির পাশের একটি পরিত্যক্ত পাচঁতলা ভবনের ছাদে নিয়ে মুখে গামছা ও বিদ্যুতের তার দিয়ে হাত-পা বেঁধে হত্যা করে শিশু আবিরকে। একপর্যায়ে সন্ধ্যায় আবিরের লাশ পাশের একটি ডোবায় ফেলে দেয় সে।’
সংবাদ সম্মেলনে এএসপি জানান, নিখোঁজের পরদিন সকালে পুলিশ আবিরের লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় আবিরের বাবা জসিম হাজারী অজ্ঞাত কয়েকজনকে আসামি করে ফেনী মডেল থানায় মামলা দায়ের করেন। ২০১৬ সালের ২৫ আগস্ট পুলিশ ঘটনা তদন্ত শেষে আদালতে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেয়। পরে আদালতের নির্দেশে সিআইডি মামলার তদন্তভার গ্রহণ করে।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘তৌহিদুল ইসলাম জনি শহরের পূর্ব উকিল পাড়ার মৃত মাহবুবুর রহমানের ছেলে। তার নামে অস্ত্র ও মাদকসহ মোট চারটি মামলা বিচারাধীন রয়েছে।’








