কুমল্লার নাঙ্গলকোটে এক তরুণীর লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। তার নাম তাহেরা আক্তার (১৮)। শুক্রবার (৯ আগস্ট) লাশটি উদ্ধার করা হয়।
নাঙ্গলকোট থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের পর পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনার তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
তাহেরা নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা পশ্চিম ইউপির নোয়াপাড়া গ্রামের অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য মজিবুর রহমানের মেয়ে।
মুজিবুর রহমান বলেন, ‘আমার মেয়ে ও পরিবারের সঙ্গে কারও কোনও বিরোধ ছিল না। তবে কি কারণে সে আত্মহত্যা করেছে, তা আমি জানি না।’
এলাকাবাসী জানান, দুই বছর ধরে একই গ্রামের পাশের প্রবাসী আলমগীর ও নাজমার মেয়েকে আরবি প্রাইভেট পড়াতেন তাহেরা। নাজমার এক মেয়ের সঙ্গে এক পল্লি বিদ্যুৎকর্মীর প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। তাহেরা বিষয়টি জানতো। সে তার ছাত্র-ছাত্রীদের কাছে বিষয়টি বলে দেয়। ছাত্র-ছাত্রীরা তাদের মাকে জানায়। সোমবার (৫ আগস্ট) বিকালে আরবি পড়ানোর জন্য গেলে নাজমা তাকে বকাঝকা করেন। সে বাড়ি ফরে একটি সুসাইড নোট লিখে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করে।
এ প্রসঙ্গে নাজমা বলেন, ‘আমি হেসে-হেসে তাহেরাকে বলেছি, তুমি ছোট-ছোট ছেলে-মেয়েদের কাছে এসব কি বলেছো। আমার মেয়ে ঈদের সময় বাড়ি এলে তা প্রমাণ হবে। পাশাপাশি তোমারও কঠিন বিচার হবে। পরে সে বাড়িতে চলে যায়। তাহেরা যে ফাঁসি দেবে, সেটা ভাবিনি।’








