=বিশ্ববিদ্যালয় ছুটি হয়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা মেসে ছিল না। তারপরও মেস মালিকরা শিক্ষার্থীদের ভাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শিক্ষার্থীরা জানিয়েছেন, প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থী মেসে থাকে। করোনাকালীন এ পরিস্থিতিতে তাদের পক্ষে ভাড়া দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী টিউশনি করে পড়ার খরচ চালায়। এ পরিস্থিতিতে তারা টিউশনি করতে পারছেন না। ফলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া মওকুফের জন্য যথাযথ উদ্যোগ গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে তারা জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের কাছে চিঠি পাঠিয়েছেন।
রবিবার (১৭ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. আবু তাহের স্বাক্ষরিত চিঠিগুলো সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছে পাঠানো হয়েছে।
চিঠি দেওয়া হয়েছে, কুমিল্লা- ৬ আসনের সংসদ সদস্য আ কম বাহাউদ্দিন বাহার, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কু, জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর, পুলিশ সুপার সৈয়দ নুরুল ইসলাম, সদর দক্ষিণ উপজেলা চেয়ারম্যান গোলাম সারওয়ার এবং সদর দক্ষিণ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা মিয়া মোহাম্মাদ কেয়ামউদ্দিনকে।
চিঠিতে বলা হয়, করোনা পরিস্থিতিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় গত ১৮ মার্চ থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীরা আবাসিক হল ও মেসসমূহ ছেড়ে বাড়ি চলে যায়। আবাসিক ব্যবস্থার অপ্রতুলতার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় চার হাজার শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা, কোটবাড়ি, কুমিল্লা নগরীসহ অন্যান্য এলাকায় মেসে থাকে। মার্চ মাসের অর্ধাংশ, এপ্রিল ও মে মাসে শিক্ষার্থীরা মেসে ছিল। তারপরও মেস মালিকরা শিক্ষার্থীদের ভাড়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। করোনাকালীন এ পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের পক্ষে ভাড়া দেওয়া সম্ভব নয়। অধিকাংশ ছাত্র-ছাত্রী টিউশনি করে পড়ার খরচ চালালেও এ পরিস্থিতিতে টিউশনি করতে পারছেন না। কাজেই করোনাকালীন সময়ে সব শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়া সম্পূর্ণ মওকুফ করা খুবই জরুরি।
কুমিল্লার জেলা প্রশাসক আবুল ফজল মীর বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের মেস ভাড়ার মওকুফের বিষয়টি কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় দেখবে। এ বিষয়ে কোনও ধরনের সহযোগিতার প্রয়োজন হয় সেটা আমরা করবো।’






