প্রতিপক্ষের হামলা আহত যুবলীগ কর্মী মারুফ হোসেন চৌধুরী চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার (১৩ নভেম্বর) বিকালে নগরীর বেসরকারি রয়েল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ডবলমুরিং থানার ওসি সদীপ কুমার দাশ মারুফের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন।
নিহত মারুফ হোসেন চৌধুরী ডবলমুরিং থানার দাম্মা পুকুর পাড় এলাকার সালেহ আহমেদ চৌধুরী বাড়ির কামাল চৌধুরীর ছেলে। স্থানীয় যুবলীগ নেতাকর্মীরা জানান, মারুফ পাঠানটুলী ওয়ার্ড যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন আলোর ছোট ভাই। মারুফ যুবলীগের রাজনীতি করলেও কোনও পদে ছিলেন না।
ওসি সদীপ কুমার দাশ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কথা কাটাকাটির জেরে মারুফ হোসেন চৌধুরীর মাথায় কাঠ জাতীয় কোনও জিনিস দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার মাথায় মারাত্মক জখম হয়। চিকিৎসাধীন আবস্থায় শুক্রবার বিকালে হাসপাতালে তার মৃত্যু হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘কী কারণে তাকে মারধর করা হয়েছে, সেটি এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কারা মারধর করেছে বিষয়টি আমরা খতিয়ে দেখছি। জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান শুরু করেছে।’
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার (১২ নভেম্বর) রাতে কমার্স কলেজের সামনে যুবলীগের দুই গ্রুপের কর্মীদের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের ধরে মারামারি ঘটনায় মাথায় আঘাত পান মারুফ। পরে তাকে উদ্ধার করে চমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে তাকে রয়েল হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়।







