দেশের সবকটি স্থলবন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পণ্য আমদানি-রফতানিতে নানা সমস্যা-সংকট সমাধানে বাংলাদেশ ও ভারত স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ দুই দেশের প্রতিনিধি দল বৈঠক করেছে। মঙ্গলবার (৯ ফেব্রুয়ারি) কুমিল্লা জেলা প্রশাসক সম্মেলন কক্ষের দুই ঘণ্টাব্যাপী দুই দেশের প্রতিনিধি দল ১০টি বিষয় নিয়ে আলোচনা করে।
বৈঠক শেষে বাংলাদেশ স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান কেএম তারিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাংলাদেশের স্থলবন্দরগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং পণ্য অপারেশনের সমস্যাদি সমাধান করতে দুই দেশের বন্দর স্টক হোল্ডারদের সমন্বয়ে গঠিত ম্যানেজমেন্ট স্ট্রাকচার কমিটি গঠিত হয়েছে। সেই কমিটির তৃতীয় সভা কুমিল্লায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। বন্দর উন্নয়নে সর্বপ্রথম কুমিল্লার বিবির বাজার এবং শ্রীমন্তপুর এই দুটি স্থলবন্দর পরিদর্শন করা হয়েছে। পরিদর্শন শেষে দুই দেশের ১০টি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আলোচনায় স্থলবন্দরগুলোর অবকাঠামোগত উন্নয়ন, দুই দেশে প্রবেশ করা পরিবহনের পণ্য দ্রুত খালাস করা, করোনার কারণে শ্রমিকদের কোয়ারেন্টিনের সুবিধাদি এবং যাত্রীদের সূক্ষ্মভাবে চলাফেরার ব্যবস্থাসহ বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে এই বৈঠকে। এর মধ্যে অনেক বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি। এর সুফল আমরা দ্রুত পাবো।’
এর আগে এই কথা জানান, ভারত স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান শ্রিয়াদিয়া মিশ্র।
বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভারত প্রতিনিধি দলের দশ জন সদস্য উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে স্থলবন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যানসহ বাংলাদেশের প্রতিনিধি দলটি আদর্শ সদর উপজেলার বিবিরবাজার ইমিগ্রেশন অফিসে পৌঁছান। ইমিগ্রেশন অফিস থেকে পায়ে হেঁটে দলটি দুপুর ১২টার সময় ভারতে প্রবেশ করে। সেখানে প্রায় ৫০ মিনিটের মিটিং শেষ করে ১টায় ভারতীয় পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধি দলসহ ভারতীয় ইমিগ্রেশনের কার্যক্রম শেষ করে বাংলাদেশে প্রবেশ করে। এরপর বেলা ২টার দিকে দুই দেশের প্রতিনিধি দলের গাড়িবহর বিবির বাজারে বেক্সিমকো গ্রুপ কর্তৃক পরিচালিত স্থবন্দর ভবনে উপস্থিত হয়ে আলাপ-আলোচনা করে। পরে উভয় প্রতিনিধি দল বন্দরের ওয়্যার হাউজ পরিদর্শন শেষে কুমিল্লা সার্কিট হাউজে উপস্থিত হয়। সেখানে দুপুরের খাবার শেষ করে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিয়ে কুমিল্লা জেলা প্রশাসকের সম্মেলনে দুই দেশের স্থলবন্দরের নানা সমস্যা ও সংকট নিয়ে তারা আলোচনা করেন।








