জামিন পেয়েছেন নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার সাবেক উপজেলা পরিষদের মিজানুর রহমান বাদল। মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের ২ নং বিচারিক আদালতের বিচারক নবনীতা গুহ তার জামিন মঞ্জুর করেন। অ্যাডভোকেট হারুন-উর-রশিদ হালদার তার পক্ষে জামিন চান। আদালত শুনানি শেষে তাকে তিনটি মামলায় জামিন প্রদান করেন।
জেলার বসুরহাটে পৌর মেয়র আবদুল কাদের মির্জার দলীয় প্রতিপক্ষ হিসেবে প্রথমে বিবাদে ও পরে পরপর দুই বার সংঘাতে জড়িয়ে আলোচনায় ছিলেন এই সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ও পরে মার্চের প্রথম সপ্তাহে দুপক্ষের মিছিলে গুলির ঘটনায় প্রথমে এক সাংবাদিক ও পরে এক অটোরিকশাচালক গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। এসব ঘটনায় উভয়পক্ষে একাধিক মামলা দায়ের হয়েছে। পুলিশও বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে।
এর মধ্যে গত ১৯ ফেব্রুয়ারি কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা চাপরাশির হাট বাজারে দু'পক্ষের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তাকে গত ১১ মার্চ বিকাল ৪টায় তাকে আটক করে কারাগারে পাঠানো হয়। এরপরই আব্দুল কাদের মির্জার সমর্থকরা আরও দুইটি মামলা করে তাকে প্রধান আসামি করে।
আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট হারুন উর রশিদ বলেন, আদালত সকালে দুটি ও বিকালে একটি মামলায় তার জামিন মঞ্জুর করেন।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই আবদুল কাদের মির্জার সঙ্গে উপজেলা আওয়ামী লীগের বড় একটি অংশের বিরোধের জেরে গত কয়েক মাস ধরে পুরো উপজেলায় অস্থিতিশীল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পৌরসভা নির্বাচনের সময় থেকে বিভিন্ন বিস্ফোরক বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় আসা কাদের মির্জার সমর্থকদের সঙ্গে এরইমধ্যে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের িএকধিক নেতা ও তাদের সমর্থকদের মধ্যে দ্বন্দ্ব, বিবাদ ও সংঘর্ষ চলে আসছে।
আরও পড়ুন:









