নোয়াখালীর হাতিয়ায় গণিত অলিম্পিয়াড প্রশিক্ষণে শিক্ষকদের থেকে চাঁদা দাবির ঘটনাকে কেন্দ্র করে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার ওপর হামলার ঘটনায় উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মোহাম্মদ ছাকায়াত হোসেনকে চাকরি বরখাস্ত করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ অক্টোবর) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহ রেজোয়ান হায়াত স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে তাকে বরখাস্ত করা হয়।
বুধবার (২৬ অক্টোবর) বেলা ১১টায় জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা ফেরদৌসী বেগম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার সকালে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতরের মহাপরিচালক শাহ রেজোয়ান হায়াত স্বাক্ষরিত চিঠি মেইলে পেয়েছি।
চিঠিতে বলা হয়েছে, সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা ২০১৮ এর ৩ (খ) ধারা অনুযায়ী উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর মোহাম্মদ ছাকায়াত হোসেনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় কার্যধারা গ্রহণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেওয়ায় সরকারি চাকরি আইন ২০১৮ এর ৩৯ (১) ধারা মোতাবেক তাকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ১৬ অক্টোবর রাত ৮টায় উপজেলার ওছখালীতে সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা কামরুল হাসান রাত ৮টায় মোটরসাইকেলযোগে বাসায় ফিরছিলেন। তিনি শহীদ মিনার এলাকায় পৌঁছালে ৮-৯ জন মুখোশধারী তার পথ আটকায়। এরপর তারা তাকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক পেটায়। এর আগে, উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর ছাকায়াত হোসেন গণিত অলিম্পিয়াড প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারী শিক্ষকদের কাছে ৫০০ টাকা করে চাঁদা দাবি করেন।
তাকে টাকা দিতে রাজি না হওয়ায় ছাকায়াত এক শিক্ষককেও মারধর করেন। পরে এই ঘটনায় উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ডাটা এন্ট্রি অপারেটর এবং অজ্ঞাত পরিচয় আরও আট জনকে আসামি করে হাতিয়া থানায় মামলা করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তের বিচার চেয়ে সোমবার শিক্ষকরা উপজেলা শিক্ষা অফিসে স্মারকলিপি দেন।








