চট্টগ্রাম মহানগর দায়রা জজ ড. বেগম জেবুননেছা বলেছেন, ‘চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের আট জন ম্যাজিস্ট্রেট গত ৯ মাসে ২৫ হাজার ২৪৯টি মামলা নিষ্পত্তি করেছেন।
চট্টগ্রাম চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে শনিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে আদালতের সম্মেলন কক্ষে পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্সে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
সভায় ড. বেগম জেবুননেছা বলেন, ‘মামলার তদন্তে ও ফরেনসিক বিভাগকে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব বাড়াতে হবে।’ একইসঙ্গে ফৌজদারি কার্যবিধির ৯৮, ১৪৫, ১৬৪ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের ২২ ধারার প্রয়োগসহ বিভিন্ন বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক-নির্দেশনা দেন তিনি।
চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রবিউল আলমের সভাপতিত্বে কনফারেন্সে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ নার্গিস আক্তার, অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মুহাম্মদ আবদুল হালিম, চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম তাহমিনা আফরোজ চৌধুরী, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট বেগম মনীষা মহাজনসহ চট্টগ্রাম সিএমএম কোর্টে কর্মরত ম্যাজিস্ট্রেটরা।
এতে আরও উপস্থিত ছিলেন জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবু মোহাম্মদ হাশেম, সাধারণ সম্পাদক এএইচএম জিয়া উদ্দিন, চট্টগ্রামের অতিরিক্ত মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর উত্তম কুমার দত্ত, সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র আফরোজা কালাম, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসি (দক্ষিণ জোন) মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান এবং এডিসি (প্রসিকিউশন) কামরুল হাসানসহ মহানগরীর সব থানার ওসি।
কনফারেন্সের শুরুতে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রবিউল আলম বিগত সভার সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়নের অগ্রগতি তুলে ধরেন। পাশাপাশি বিচারকাজ ও মামলা নিষ্পত্তিতে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাসমূহ এবং এর কার্যকর সমাধান নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি উচ্চ আদালতের আদেশের প্রসঙ্গ টেনে মামলা গ্রহণকালে মর্যাদাহানিকর খেতাবি নাম পরিহার করার জন্য ম্যাজিস্ট্রেট ও থানার ওসিদের নির্দেশনা দেন। বিচারাধীন মামলাসমূহের সুষ্ঠু বিচার প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করার ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা পালনের জন্য মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ও থানার ওসিসহ সংশ্লিষ্টদেন বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন রবিউল আলম।









