সমন্বয়কদের অবিলম্বে নিঃশর্ত মুক্তি, দমন-নিপীড়ন বন্ধ, কারফিউ প্রত্যাহার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রত্যাহার করে বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া ও সারা দেশে হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের বিচারসহ বিভিন্ন দাবিতে নোয়াখালীতে সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেছেন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (২৯ জুলাই) বিকালে সাড়ে ৩টা থেকে ৫টা পর্যন্ত চৌমুহনী-মাইজদী আঞ্চলিক মহাসড়কের ‘নোয়াখালী জিলা স্কুল’র সামনে অবস্থান নিয়ে এ কর্মসূচি পালন করেন তারা। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের ব্যানারে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী সরকারি কলেজসহ জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ও কয়েকজন শিক্ষক এবং অভিভাবক বক্তব্য রাখেন।
বক্তারা সারা দেশে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিহতদের স্মরণ করেন। পরে এসব হত্যায় জড়িতদের চিহ্নিত করে সুষ্ঠু বিচারের দাবি করেন তারা। এ সময় শিক্ষার্থীরা তাদের দাবি নিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। শিক্ষার্থীদের সড়কে অবস্থানের কারণে দুই পাশে যানজট সৃষ্টি হয়।
একই সঙ্গে ঢাকায় কোটাবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহত নোয়াখালী পৌর কল্যাণ উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০২০ ব্যাচের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান রিজভী হত্যার বিচার দাবি করেছেন তারা।
জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আসাদুজ্জামান বলেন, শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে প্রথম থেকেই ভিন্ন খাতে নিতে একটি মহল চেষ্টা করে যাচ্ছে। এ বিষয়টি মাথায় রেখে জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি রাখা হয়। সাদা পোশাকে শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান করে।








