বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান কাজী রিয়াজুর হক বলেছেন, দেশে আইনের শাসন ও সব মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে কমিশন কাজ করে যাবে। দেশ যখন উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ৭১’র পরাজিত শক্তি তখন সংগঠিত হয়ে উন্নয়নের গতিকে ব্যাহত করার লক্ষ্যে দেশের মধ্যে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদী কার্যক্রম চালাচ্ছে। মানুষ হত্যা করছে। এতে মানুষের মৌলিক মানবাধিকার লঙ্ঘিত হচ্ছে। একটি গনতান্ত্রিক দেশে এসব চলতে পারে না।
শুক্রবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের কাছে তিনি এসব কথা বলেন। পরে তিনি বঙ্গবন্ধু ভবনে যান। সেখানে রক্ষিত পরিদর্শন বইয়ে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করেন।
‘বিএনপি বলেছে দেশে মানবাধিকার বলে কিছুই নেই’ গণমাধ্যম কর্মীদের এমন প্রশ্নের জবাবে কমিশনের নবনিযুক্ত চেয়ারম্যান বলেন, বিদেশি মদদপুষ্ট হয়ে দেশে জঙ্গিবাদী কার্যক্রম চালিয়ে মানুষ হত্যা ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপ করা হচ্ছে। তাদের যারা মদদ দিচ্ছেন, তারাই মূলত মানুষ হত্যা করে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছেন। মানবাধিকার হচ্ছে বেঁচে থাকার অধিকার। কিন্তু তারা মানুষ হত্যা করে মানবাধিকার কেড়ে নিচ্ছে।
কাজী রিয়াজুল হক আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সারা জীবন এদেশের মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় সংগ্রাম করেছেন। যার ফলশ্রুতিতে আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন ছিল এ দেশকে একটি সোনার বাংলা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করা। বিশ্বের বুকে একটি উন্নত ও সমৃদ্ধ জাতি হিসেবে আমাদের পরিচিতি দেওয়ার। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতির পিতার সে স্বপ্ন পূরণে আমরা কাজ করে যাবো।
এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন কমিশনের সার্বক্ষনিক সদস্য মো. নজরুল ইসলাম, অবৈতনিক সদস্য অধ্যাপক আখতার হোসেন, এনামূল হক চৌধুরী, বেগম নুরুন্নাহার ওসমান, সহকারী পরিচালক এম.রবিউল ইসলাম, জয়দেব চক্রবর্তী প্রমুখ।
আরও পড়ুন:
তনু ও লিমনের ইস্যুতে ‘বাড়াবাড়ি’ না করতে পরামর্শ এসেছিল: ড. মিজানুর রহমান
/বিটি/






