টঙ্গীর টাম্পাকোয় নিখোঁজ শ্রমিকদের মরদেহ চিহ্নিত করতে গাজীপুর জেলা প্রশাসকের দফতরে ধর্না দিয়েছেন চার স্বজনের পরিবার। ডিএনএ টেস্টের জন্য গত ২১ সেপ্টেম্বর নিখোঁজ ৯ জনের স্বজনরা ঢাকার সিআইডিতে রক্ত ও লালা দিয়েছিলেন।
টাম্পাকো ফয়েলস লিমিটেডের মেশিন অপারেটর আনিসুর রহমানের (৩০) স্ত্রী শারমিন আক্তার শিল্পী, মাগুরা জেলার ছনপুর গ্রামের নিখোঁজ আজিম উদ্দিনের (৩৬) স্ত্রী পারভীন আক্তার, টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর উপজেলার উপুলকি গ্রামের নিখোঁজ আবুল হোসেনের স্ত্রী নূরুন্নাহার, কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার টঙ্কি গ্রামের বাসিন্দা নিখোঁজ মাসুম আহমেদের স্ত্রী রূপালী বেগম ডিএনএ পরীক্ষার ফলাফল জানতে সোমবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান।
গাজীপুর জেলা প্রশাসকের পক্ষে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান জানান, কয়েকটি ধাপে সিআইডির ফরেনসিক বিভাগ ডিএনএ পরীক্ষা করেন। সবেমাত্র প্রাথমিক ধাপটি শেষ হয়েছে। প্রাথমিক ধাপে পরিচয় শনাক্ত করা অনেকটাই সম্ভব হবে। আগামী ২০ জানুয়ারির দিকে পরিচয় দেওয়া যাবে।
প্রসঙ্গত, ১০ সেপ্টেম্বর ভোরে টঙ্গীর বিসিক শিল্প নগরীতে বিস্ফোরণের পর অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ট্যাম্পাকো ফয়েলস কারখানা বিধ্বস্ত হয়। এতে মারা যান ৩৯ জন আহত হন ৪০ জন। এদের মধ্যে ডিএনএ টেস্টের জন্য ৯ জনের স্বজন রক্ত ও লালা দিয়েছিলেন গত ২১ সেপ্টেম্বর।
ঘটনা তদন্তে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, গাজীপুর জেলা প্রশাসন, শিল্প মন্ত্রণালয়, ফায়ার সার্ভিস ও তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে মোট ৫টি পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। টাম্পাকো মালিকের বিরুদ্ধে হত্যাসহ বিভিন্ন আইনে দুটি মামলা হয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় অভিযুক্ত পাঁচজন কারাগারে রয়েছে। তবে কারখানার মালিক সৈয়দ মকবুল হোসেনকে আগামী বছরের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন জামিনে রয়েছেন।
/এমও/







