গত ৩০ এপ্রিল রাজধানীর এলিফ্যান্ট রোডে ইস্টার্ন মল্লিকার পেছনে এক ভবনে শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্রের কমপ্রেসার বিস্ফোরণে দগ্ধ প্রকৌশলী উৎপল চক্রবর্তী মারা গেছেন। রাজধানীর সিটি হাসপাতালে ২০ দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর আজ শনিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে তিনি মারা যান।
প্রকৌশলী উৎপল চক্রবর্তীর বন্ধু লিনা পারভীন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, তার অবস্থা গতকাল পর্যন্ত স্থিতিশীল ছিল। দূর্ঘটনার পর থেকে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থাতে শারীরিক অবস্থার উন্নতিই হচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ করেই আজ বিকালের দিকে অবস্থার অবনতি হলে তাকে লাইফ সার্পোটে নেওয়া হয়।
লিনা পারভীন বলেন, ‘আজ দুপুরেও সে মুখে খাবার খেয়েছে, কিন্তু হঠাৎ করেই অবস্থা খারাপের দিকে যেতে থাকে।’
সেদিনের ঘটনার বিবরণ দিয়ে দগ্ধ উৎপল চক্রবর্তী ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় বাংলা ট্রিবিউনকে বলেছিলেন, ‘এলিফ্যান্ট রোডের ইস্টার্ন মল্লিকার পেছনে ১২ তলার বসতি এলিগ্যান্স ভবনের আন্ডারগ্রাউন্ডে হোম এনজয় ডেভেলপার কোম্পানির জন্য নতুন অফিস ভাড়া নেওয়া হয়েছে। ওই অফিসে মোনায়েম রঙের কাজ করছিল। পাশেই ছিলাম আমরা তিন জন। হঠাৎ বিকট শব্দ হয়। একঝলকে আগুনের লেলিহান শিখা এসে আমাদের গায়ে লাগে। এরপর ধপ করে নিভে যায়। তখন আমরা চার জন দগ্ধ হই।’
প্রসঙ্গত, ৩০ এপ্রিল কম্প্রেসার বিস্ফোরণের পর অগ্নিদগ্ধ উৎপলসহ মোট চারজনকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নেওয়া হয়। পরে উৎপল চক্রবর্তীকে ধানমণ্ডির সিটি হাসপাতলে স্থানান্তর করা হয়।
জেএ/এমএইচ/








