সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আগামী ১ নভেম্বর থেকে সড়ক-মহাসড়কে অতিরিক্ত ওজনবাহী যানবাহন চলাচল নিয়ন্ত্রণে এক্সেললোড কন্ট্রোল নীতিমালা কার্যকর হবে। এতে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না।
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মেঘনা সেতু টোল প্লাজায় এক্সেললোড কন্ট্রোল স্টেশন ও বিআরটিএ’র সড়ক নিরাপত্তা বিষয়ক ক্যাম্পেইন পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের একথা বলেন মন্ত্রী।
সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ১ নভেম্বর থেকে মহাসড়ক রক্ষায় ওজন স্কেলের নীতিমালা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করা হবে। এতে কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। অতিরিক্ত মাল বোঝাই কোনও ট্রাক বা লরি রাস্তায় চলতে দেওয়া হবে না। মালিক-শ্রমিক নেতাদের মন্ত্রণালয়ে ডেকে এনে সরকারের এ কঠোর সিদ্ধান্তের বিষয়টি জানিয়ে দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। তিনি নির্দেশ দিয়েছেন সরকারের স্কেল নীতিমালা কঠোরভাবে বাস্তবায়ন করার জন্য। নামমাত্র জরিমানা দিয়ে কিভাবে অতিরিক্ত লোড গাড়ি পার হচ্ছে তা আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন তিনি।’
মন্ত্রী বলেন, ‘সরকার কোটি কোটি টাকা খরচ করে রাস্তা নির্মাণ করে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক চার লেনে উন্নীত করা হয়েছে। কিন্তু এরইমধ্যে রাস্তার অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে। আগামী বছর এই রাস্তা আরও ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে যাবে। রাস্তা যদি না থাকে তবে যানবাহন কোথায় চালাবেন- এ বিষয়টি মালিক শ্রমিকদের অনুধাবন করা উচিত।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘টোল প্লাজা এলাকায় যানজট কমিয়ে আনতে আটটি বুথের চারটি যাত্রীবাহী এবং অন্য চারটি পণ্যবাহী পরিবহনের জন্য নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।’ যানবাহনের টোল গ্রহণ ও ওজন নেওয়ার সময় যাতে অহেতুক দেরি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখার জন্য মন্ত্রী সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন।
সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের যুগ্মসচিব হুমায়ুন কবির, সড়ক ও জনপথ অধিদফতরের ঢাকা জোনের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী আব্দুস সবুর, দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা এসময় উপস্থিত ছিলেন।
আরও পড়ুন- খালেদার বিরুদ্ধে পরোয়ানা আদালতের, সরকারের ষড়যন্ত্রের কিছু নেই: ওবায়দুল কাদের







