গাজীপুরে নিখোঁজের দুদিন পর টঙ্গীর তুরাগ নদী থেকে সোহাগ হোসেন (১৮) নামের এক স্কুলছাত্রের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। রবিবার (২২ জুলাই) রাতে নদীর টঙ্গীর ইজতেমা ময়দান এলাকার ব্রিজের পাশ থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে সোমবার (২৩ জুলাই) শাহীন নামে নিহতের এক বন্ধুকে ধরে পুলিশে দিয়েছে এলাকাবাসী।
নিহত সোহাগ কালিয়াকৈর উপজেলার হরতকিতলা এলাকার আলী হোসেনের ছেলে এবং স্থানীয় সুফিয়া মডেল উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ছাত্র।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানান, গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার হরতকিতলা এলাকার আলী হোসেনের দুই ছেলের মধ্যে সোহাগ বড়। লেখাপড়ার পাশাপাশি প্রতিবেশী বিল্লালের বাড়ির ভাড়াটিয়া শাহীন ও কয়েক বন্ধুসহ সোহাগ একটি এমএলএম কোম্পানিতে কাজ করতো। শুক্রবার (২০জুলাই) বিকালে শাহিনের সঙ্গে বাসা থেকে সোহাগ বের হয়ে আর ফিরে আসেনি। রাতে মোবাইল বন্ধ পেয়ে স্বজনেরা বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখুঁজি করে তার কোনও সন্ধান পায়নি। নিখোঁজের দুদিন পর রবিবার রাতে ইজতেমা ময়দান এলাকায় ব্রিজের পাশে তুরাগ নদীতে এক কিশোরের লাশ দেখতে পায় স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সোহাগের স্বজনরা ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি সোহাগের বলে সনাক্ত করে। পরে টঙ্গী মডেল থানা পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
টঙ্গী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে শ্বাসরোধ করে সোহাগকে হত্যা করা হয়েছে। এঘটনায় নিহতের বাবা বাদী হয়ে সোমবার (২৩ জুলাই) বিকালে টঙ্গী মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন। আটক শাহীনকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।







