আশুলিয়ায় এক নারী পোশাক শ্রমিককে অপহরণের পর ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়রা অভিযুক্তদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে। রবিবার (৯ সেপ্টেম্বর) রাতে আশুলিয়ার দক্ষিণ বাইপাইল এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
আটকরা হলেন- আশুলিয়া থানা যুব মহিলা লীগের আহ্বায়ক নাজমা আক্তারের ছেলে নকিব মিয়া (২০), একই এলাকার আব্দুস সালামের ছেলে আল আমিন (২০), আলমাস হোসেনের ছেলে নাইমুর রহমান দুর্জয় ও আব্দুল লতিফের ঠেলে ফারুক হোসেন (২২)।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, রবিবার সন্ধ্যায় আশুলিয়ার উত্তর গাজীরচট এলাকা থেকে এক নারী পোশাক শ্রমিককে অপহরণ করে নিয়ে যায় যুব মহিলা লীগ নেত্রীর ছেলে নকিব ও তার সহযোগীরা। এসময় ওই নারীর চিৎকারে পথচারীরা তাদের গতি রোধ করলে বখাটেরা তাদের উপরে চড়াও হয়। এক পর্যায়ে তারা পোশাক শ্রমিককে বসুন্ধরা মাঠের পাশ্ববর্তী চারাল পাড়া এলাকার একটি বহুতল ভবনের ফ্ল্যাটে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এসময় পোশাক শ্রমিকের চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে তাদের আটক করে থানায় জানায়। খবর পেয়ে আশুলিয়া থানা পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে অপহৃত নারী শ্রমিককে উদ্ধার করে ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে চার যুবককে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
অপহৃতের স্বামী রবিউল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে তার স্ত্রীকে উত্ত্যক্ত করে আসছিল আল-আমিন ও তার সহযোগীরা। তার মা থানা যুবমহিলা লীগের নেত্রী হওয়ায় তারা থানা পুলিশ ও স্থানীয়দের কাছে বিচার দিতে ভয় পাচ্ছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় উত্তর গাজীরচট এলাকায় তাদের ভাড়া বাড়ি থেকে তার স্ত্রী বের হলে বখাটেরা জোর করে তাকে রিকশায় তুলে নিয়ে যায়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় এক ব্যবসায়ী জানান, আশুলিয়া থানা যুবমহিলা লীগের আহ্বায়কের ছেলে ও সহযোগীরা এলাকায় মাদক ব্যবসাসহ বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত রয়েছে। তাদের ভয়ে এলাকায় পোশাক কারখানার নারী শ্রমিকসহ ব্যবসায়ীরা আতঙ্কে ছিল।
আশুলিয়া থানার ডিউটি অফিসার উপ-পরিদর্শক মুরাদ হোসেন বলেন, ‘অপহৃত নারীর স্বামী বাদী হয়ে থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি অভিযোগ দায়ের করেছে।’







