নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের বারদী ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আলী আজগরকে প্রধান আসামি করে বিএনপি-জামায়াতের ৬৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আগামী সংসদ নির্বাচন বানচাল করার লক্ষ্যে নাশকতার প্রস্তুতির অভিযোগে মামলা করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে বারদী ক্যাম্পের এসআই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন।
এ মামলায় আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। বারদী ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আলী আগজরকে এ মামলায় প্রধান আসামি করা হয়। আগামী সংসদ নির্বাচন বানচাল ও গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাত ও বিস্ফোরক দ্রব্য দিয়ে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে হামলার উদ্দেশ্যে বারদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ষড়যন্ত্র করছিল বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। এর আগে ৯ সেপ্টেম্বর রাতে সাদিপুর ইউনিয়ন বিএনপির ৪৪ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছিল।
সোনারগাঁ থানার ওসি মোরশেদ আলম পিপিএম জানান, উপজেলার বারদী ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি আলী আজগর প্রায় শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মীকে নিয়ে গত বুধবার দুপুরে বারদী বাসস্ট্যান্ড এলাকায় সরকারকে উৎখাত ও বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানে বিস্ফোরক দিয়ে হামলার ষড়যন্ত্র করছিল। এ সংবাদের ভিত্তিতে সোনারগাঁ থানার এসআই ইসহাক মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশ ওই এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বিএনপি জামায়াতের নেতাকর্মীরা পালিয়ে যায়। এ সময় ইউনিয়ন বিএনপি সভাপতি ও সাবেক চেয়ারম্যান আলী আজগরকে গ্রেফতার করা হয়। এ ঘটনায় বারদী ক্যাম্পের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিজানুর রহমান বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার সকালে ৬৭ জনের নাম উল্লেখসহ আরও ৩০-৪০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেন।
সোনারগাঁ থানা বিএনপি সভাপতি খন্দকার আবু জাফর জানান, কোনও ঘটনা ছাড়াই বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ভুতুড়ে মামলা দায়ের করছে পুলিশ। সম্প্রতি যে তিনটি মামলায় ঘটনা উল্লেখ করেছেন, ওই এলাকায় কোনও মিটিং মিছিলের ঘটনা ঘটেনি। এলাকা টার্গেট করে পুলিশ একের পর এক বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করছে।







