গাজীপুরে মশার কয়েল থেকে আগুন ধরে একই পরিবারের চারজন দগ্ধ হয়েছে। শুক্রবার রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টার দিকে গাজীপুর মহানগরের চক্রবর্তী এলাকায় আব্দুল জলিলের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
দগ্ধরা হলেন, ওই এলাকার আব্দুল জলিল (৪৫), তার ছেলে ইয়াসিন মাহমুদ (১৩), মেয়ে জিয়াসমিন আক্তার (২০) ও মেয়ে জামাই আবুল হাসান (২৩)। শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল রেফার্ড করা হয়েছে।
দগ্ধ আব্দুল জলিল জানান, রাতের খাওয়া-দাওয়া শেষে জিয়াসমিন আক্তার, স্বামী আবুল হাসান ও ছোট ভাই ইয়াসিন মাহমুদ এক রুমে ঘুমায়। পাশে আরেকটি রুমে তার বাবা মা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক সাড়ে ৩টায় মশার কয়েল থেকে জিয়াসমিনের গায়ে আগুন ধরে যায়। মুহূর্তের মধ্যে আগুন পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় ঘরের এক পাশের দেয়াল তারা ৩ জন ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয় এবং পাশে নিচু জমির (ডুবায়) পানিতে পড়ে যায়। তাদের চিৎকার শুনে জিয়াসমিনের বাবা আব্দুল জলিল উদ্ধার করতে ওই ঘরে গেলে তিনিও দগ্ধ হন। পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে প্রথমে টঙ্গীর তায়রুন্নেছা মেমোরিয়াল (কেপিজে) মেডিক্যাল হাসপাতাল নিয়ে যায়। পরে সেখান থেকে শনিবার সকাল সাড়ে ৯টায় তাদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল রেফার্ড করে।
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ উপ-পরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া জানান, গাজীপুরে থেকে মশার কয়েলের আগুনে দগ্ধ চারজন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে। তাদের মধ্যে গুরুতর দগ্ধ জিয়াসমিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে। আগুনে জিয়াসমিনের শরীরের ৮৭ ভাগ পুড়ে গেছে। বাকি ৩ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।







