সরকারি হাসপাতালে বিনামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষার নির্দেশনা থাকলেও মানিকগঞ্জ কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রোগীদের কাছ থেকে ২৫০ টাকা করে নেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।
এসব অভিযোগ স্বীকার করেছেন কর্নেল মালেক মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষ মো. আক্তারুজ্জামান। তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সরকারিভাবে বিনামূল্যে পরীক্ষা-নিরীক্ষার নির্দেশনা দেরিতে আসায় আগের নিয়মে টাকা নেওয়া হয়েছিল।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেসব রোগীর কাছ থেকে পরীক্ষা বাবদ টাকা নেওয়া হয়েছে, তাদের টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হবে। ইতোমধ্যে এ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।’
মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ডেঙ্গু আক্রান্ত চিকিৎসাধীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী শাকিলা আইরিন জানান, তিনি আজ (মঙ্গলবার) কর্নেল মালেক মেডিক্যাল হাসপাতালে ডাক্তারের নির্দেশ অনুযায়ী ডেঙ্গু পরীক্ষার জন্য গেলে ফি বাবদ তার কাছ থেকে ২৫০ টাকা নেওয়া হয়।
ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি হতে আশা এমবিএ’র শিক্ষার্থী ঈশিতা আক্তার জানান, তার কাছ থেকেও ডেঙ্গুর পরীক্ষা বাবদ ২৫০ টাকা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে মেডিক্যাল টেকনোলজিস্ট মাসুদুর রহমানের সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, ‘এ পর্যন্ত ২৭ জনকে পরীক্ষা করা হয়েছে। যাদের কাছ থেকে টাকা নেওয়া হয়েছে, সেই টাকা তাদের ফিরিয়ে দিতে নির্দেশনা রয়েছে।’
এদিকে মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক এসএম ফেরদৌসের সঙ্গে এ ব্যাপারে কথা হলে তিনি বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে বিন্যামূল্যে ডেঙ্গু পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে কর্নেল মালেক মেড্যিকাল কলেজ হাসপাতালে ডেঙ্গু পরীক্ষায় কোনও টাকা নেওয়ার তথ্য তার জানা নেই।








