নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে এক পোশাককর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতে জামপুর ইউনিয়নের ব্রাম্মনগাওা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এই ঘটনায় পাঁচ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
তালতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আহসানউল্লা জানান, ওই তরুণী বাদী হয়ে মঙ্গলবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে সাত জনের বিরুদ্ধে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেছেন।
সোনারগাঁ থানার ওসি মনিরুজ্জামান মনির জানান, আটকদের আদালতে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে।
মামলার এজহারে অভিযোগ করা হয়, ওই তরুণী সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কারখানা থেকে বাসায় ফেরার জন্য একটি সিএনজি অটোরিকশায় ওঠেন। ওই সময়ে জাহাঙ্গীর নামের একজন অটোরিকশার পেছনের সিটে বসা ছিল। গাউছিয়া যাওয়ার পর অটোরিকশা থেকে নামতে চাইলে পেছনের সিটে বসা জাহাঙ্গীর তাকে বাধা দেয়। চালক জাহাঙ্গীরের কথামতো গাড়িটি চালিয়ে যায়। সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে তালতলা এলাকায় হালিম মিয়ার পরিত্যক্ত ঘরে নিয়ে আটকে রাখে। পরে গভীর রাতে ব্রাম্মনবাওগা গ্রামের মুজিবুর রহমানের বখাটে ছেলে আবু সাইদ, রেহাজউদ্দিনের ছেলে ইমরান, নবি হোসেনের ছেলে রনি, আবু সিদ্দিকের ছেলে আবুল হোসেন, ভট্টু মিয়ার ছেলে মাসুদ, আমির হোসেনের ছেলে আরিফ ও সামসুল হকের ছেলে জাহাঙ্গীর তাকে রাতভর সংঘবদ্ধ ধষর্ণ করে। রাত সাড়ে ৩টার দিকে হালিম মিয়া বাড়িতে এসে এ ঘটনা দেখে পুলিশে খবর দেন।
তালতলা ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. আহসানউল্লা জানান, পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পাঁচ জনকে গ্রেফতার করে। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আরিফ ও জাহাঙ্গীর পালিয়ে যায়। পরে ওই তরুণীকে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।







