রমজানের প্রথম দিন শনিবার (১৫ এপ্রিল) নারায়ণগঞ্জের বাজারগুলোতে ক্রেতা বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা গেছে। সামাজিক দূরত্ব বাজায় না রেখেই নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করতে দেখা গেছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের। মুখে মাস্ক বা হাতে হ্যান্ড গ্লাভব ছাড়াই বেচা-কেনা করছেন তারা।
বাজারের ইজারাদারের পক্ষ থেকে বারা বার হ্যান্ড মাইক ও স্থায়ী মাইকে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখার অনুরোধ করা হলেও তাতে কর্ণপাত করতে দেখা যায়নি বেশিরভাগেরই।
নগরীরর দ্বিগুবাবুর বাজার ও কালিরবাজারে গিয়ে দেখা যায়, বাজারের প্রবেশ মুখে শত শত রিকশা জটলা বেধে আছে। বাজারে একে অপরের গায়ে গা লাগিয়ে পণ্য ক্রয় করছেন ক্রেতারা। নগরীর অন্য বাজারের চিত্রও একই।
বাজার ঘুরে দেখা যায়—মাছ, মুরগি, সবজি বিক্রেতা থেকে শুরু করে অনেকের মুখেই নেই মাস্ক, হাতে নেই হ্যান্ড গ্লাভস।
একজন বিক্রতা মাস্ক ছাড়া কেন বের হলেন—এমন প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘মাস্ক ছিল, কাদায় পড়ে গেছে।’ মাস্ক ছাড়া চলায় সমস্যা আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'তা তো আছেই, তাই বলে বাজার না করে তো আর পারা যায় না। দুটো খেতে তো হবে। তাই মাস্ক ছাড়াই বাজার করতে এসেছি।'
দ্বিগুবাজারের বিক্রেতা সোলায়মান মিয়া দাবি করেন, ক্রেতাদের সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পণ্যসামগ্রী ক্রয় করার জন্য বলা হলেও ক্রেতারা তা মানছেন না।
দ্বিগুবাবুর বাজারের ইজারাদার আব্দুর রহিম জানান, প্রতিদিনই হ্যান্ডমাইক ও স্থায়ী মাইকে সামাজিক দূরত্ব বাজায় রেখে চলার জন্য বলা হচ্ছে। তবে ক্রেতা বিক্রেতাদের মধ্যে সচেতনতার অভাব রয়েছে।
এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জের পুলিশ সুপার জায়েদুল আলম জানান, বলছে নগরীর দ্বিগুবাবুর বাজারে যে পাইকারি আড়ত রয়েছে, তা রেখে কাঁচাবাজার ও মাছ বাজার অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার জন্য সিটি করপোরেশনসহ জেলা প্রশানের সঙ্গে আলাপ আলোচনা হয়েছে। আগামী দুই এক দিনের মধ্যে সেটি বাস্তবায়ন করা হবে।








