অন্তর্বর্তী সরকারের মতিগতি ভালো দেখতেছি না: নুর

গাজীপুর প্রতিনিধি
১৬ অক্টোবর ২০২৪, ১৭:৩০আপডেট : ১৬ অক্টোবর ২০২৪, ১৮:৪৭

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্দেশে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেছেন, ‘আমরা আপনাদের সহযোগিতা করতে চাই। শুধু একটি নির্বাচনের জন্য জনগণ আপনাদের ক্ষমতায় বসায় নাই। জনপ্রত্যাশা পূরণ করে এই ফ্যাসিস্ট রাষ্ট্রকে একটা জনবান্ধব রাষ্ট্র কাঠামোতে দাঁড় করাবেন। রাষ্ট্র সংস্কারের মাধ্যমে নির্বাচনের মধ্য দিয়ে জনপ্রতিনিধিদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তর করে দেবেন। তার পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত আমরা আপনাদের সমর্থন করতে চাই, সহযোগিতা করতে চাই। কিন্তু আপনাদের মতিগতি ভালো দেখতেছি না।’

বুধবার (১৬ অক্টোবর) দুপুরে গাজীপুর জেলা গণঅধিকার পরিষদের আয়োজনে শ্রীপুর পৌরসভার মাওনা চৌরাস্তা উড়াল সেতুর নিচে এক সভায় তিনি এ কথা বলেন।

নুরুল হক বলেন, ‘সতর্ক থাকতে হবে আওয়ামী লীগের মতো ফ্যাসিবাদ যেন আর কোনও সময় মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে। আমাদের জীবন থাকতে এ দেশে আওয়ামী লীগকে কোনও ঠাঁই দেওয়া হবে না। লড়াই করে যখন অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী আওয়ামী শাসনকে পরাজিত করতে পেরেছি, আগামীতেও প্রতিরোধ করতে হবে। আওয়ামী লীগকে পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য ভারতসহ বেশ কিছু বিদেশিরা উঠেপড়ে লেগেছে। সাবের হোসেন চৌধুরীকে মুক্ত করার পেছনে এরকম একটি তৎপরতা আছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আজকে জনগণ কষ্ট পাচ্ছে, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি। উত্তরাঞ্চলে বেশ কিছু এলাকায় বন্যা হয়েছে। তাদের ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, উৎপাদন কমে গেছে। সে কারণে সবকিছুর দাম বেড়েই চলছে। সরকারকে মনে রাখতে হবে এটি কোনও রাজনৈতিক সরকার নয়। তাই জনগণ যেন কষ্ট না পায়, সেই অগ্রাধিকার তাদের আগে দিতে হবে। দুই বছর লাগবে নির্বাচন হতে। আমরা এখনই নির্বাচনের পক্ষে না। আগে সংস্কার হবে, পরে নির্বাচন হবে।’

গণঅধিকার পরিষদের গাজীপুর শাখার আহ্বায়ক পাঠান আজহারের সভাপতিত্বে ও শ্রীপুর উপজেলা গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র সহ-সভাপতি মনির মোল্লার সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। পথসভায় উপস্থিত ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম সম্পাদক হাসান আল মামুন, যুগ্ম সম্পাদক মাহফুজুর রহমান খান, দফতর সম্পাদক শাকিল উজ জামান, শ্রমিক অধিকার পরিষদের সভাপতি আব্দুর রহমানসহ দলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতৃবৃন্দ।

/এফআর/এমওএফ/
সম্পর্কিত
আলোচনায় কিচেন কেবিনেট, কারা ছিলেন?
প্যারিসের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস
সরকারের মধ্যে ‘কিচেন কেবিনেট’ কেন বলা হয়?
সর্বশেষ খবর
ফোনালাপ ফাঁসের পর বদলি করা হলো জেল সুপারকে
ফোনালাপ ফাঁসের পর বদলি করা হলো জেল সুপারকে
বিশ্বতারকাদের সঙ্গে ফিফা অ্যালবামে সানজয়, নোরা ফাতেহি-ভেজড্রিমের সঙ্গে ‘সির সির’
বিশ্বতারকাদের সঙ্গে ফিফা অ্যালবামে সানজয়, নোরা ফাতেহি-ভেজড্রিমের সঙ্গে ‘সির সির’
সৌদি থেকে ফিরেছেন ২৫৩৭৭ হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৪৫
সৌদি থেকে ফিরেছেন ২৫৩৭৭ হাজি, মৃত্যু বেড়ে ৪৫
পশ্চিমবঙ্গে যেকারণে তৃণমূলের ‘অপ্রত্যাশিত রক্ষাকর্তা’ খোদ বিজেপি
কী, কেন, কীভাবেপশ্চিমবঙ্গে যেকারণে তৃণমূলের ‘অপ্রত্যাশিত রক্ষাকর্তা’ খোদ বিজেপি
সর্বাধিক পঠিত
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
খাবার মুখে দেওয়ার সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর চামচে ফুঁ দেওয়া লোকটি কে
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
চট্টগ্রামে ৬০ কোটি টাকায় আনা জাহাজে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা, বেকায়দায় আমদানিকারক
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
ইউনিটপ্রতি কত বাড়লো বিদ্যুতের দাম
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম দুই ওয়ানডের দল ঘোষণা বাংলাদেশের
বাড়লো বিদ্যুতের দাম
বাড়লো বিদ্যুতের দাম