অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা (স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়) আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, ‘আমলাতন্ত্রটা জনগণের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রেখে চলতো। জনগণের সেবক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সরকারি সব কর্মকর্তা। আমরা চাই, সব কর্মকর্তা জনগণকে যেন তাদের পাশে দাঁড়িয়ে সেবাটা দেন। প্রভুত্বমূলক জায়গায় না থেকে, সরকারের সঙ্গে জনগণের দূরত্বটা যাতে কমিয়ে আনা যায়- সেটার জন্য আমরা আরও পলিসি লেভেলে কাজ করবো। এই অভিযোগগুলো যাতে না থাকে- যেমনটা তথ্যের ঘাটতি বা তাদেরকে পাওয়া যায় না। যাতে কেউ বলতে না পারে কোনও সরকারি কর্মকর্তাদের পাওয়া যায় না।’
বুধবার (১৩ নভেম্বর) বিকালে টাঙ্গাইলে মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘এই অঞ্চলে যে লড়াই হয়েছে সেই লড়াইয়ের পথ মওলানা ভাসানী দেখিয়ে গিয়েছেন। ২৪-এর এতে রক্তের পরও আমরা মওলানা ভাসানীর ভাষায় বলতে চাই, আমাদের সংগ্রাম শেষ হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশে যে কয়টি স্টেডিয়াম রয়েছে, সবগুলোই প্রায় অকেজো। এসব স্টেডিয়াম সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে বিসিবি থেকে তালিকা নেওয়া হয়েছে।’
এরপর সন্ধ্যায় মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মুক্তমঞ্চে মওলানা ভাসানী পাঠচক্র ও জাতীয় নাগরিক কমিটির আয়োজনে মওলানা ভাসানী ও নতুন বাংলাদেশ শীর্ষক আলোচনা সভায় তারা অংশগ্রহণ করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন রাজনীতি বিশ্লেষক, কবি, ও রাষ্ট্রচিন্তক ফরহাদ মজহার, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, মাভাবিপ্রবির ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. আনোয়ারুল আজীম আকন্দ, ভাসানী ফাউন্ডেশনের মহাসচিব মাহমুদুল হক শানু প্রমুখ।








