যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দ্রুত শেষ করে জাতিকে দায়মুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পর তারা এ দাবি জানান।
কলেজছাত্র হাসিবুর রহমান, অঞ্জন, রায়হানসহ কয়েকজন তরুণ বলেন, সাকা-মুজাহিদের ফাঁসি হয়ে গেছে। তাদের মতো আরও যুদ্ধাপরাধী রয়েছে। অবিলম্বে সকল যুদ্ধাপরাধীদের সাজা দিয়ে দেশকে কলঙ্কমুক্ত করার দাবি জানান তারা।
শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেক্টর কমান্ডারস ফোরামের ভাইস চেয়ারম্যান লেফটেন্যান্ট কর্নেল (অবসরপ্রাপ্ত) আবু ওসমান চৌধুরীসহ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা বলেন, দেশ স্বাধীন করার আনন্দ যেমন ছিল সবার মাঝে, ঠিক তেমনি বুকের মধ্যে স্বজন হারানোর ব্যথা রয়ে গেছে। সব যুদ্ধাপরাধীদের বিচারকার্য শেষ হলেই সব ভুলে স্বাধীনতার স্বাদ পাবেন তারা।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে আসা বিভিন্ন সংগঠন, রাজনৈতিক ও একাধিক সাধারণ ব্যক্তি বলেন, ৩০ লাখ মানুষের রক্তের বিনিময়ে দেশ স্বাধীন হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের মানুষের স্বাধীনতার যে স্বপ্ন ছিল তা এখনও পুরোপুরি বাস্তবায়ন হয়নি। তাই দ্রুত সব যুদ্ধাপরাধীদের বিচার সম্পূর্ণ করে যুদ্ধাপরাধীমুক্ত স্বাধীন বাংলাদেশ গড়ার দাবি জানান তারা।
এর আগে ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদ ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। প্রায় একই সময়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিন বাহিনীর সুসজ্জিত একটি চৌকস দল তাদেরকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এ সময় বিউগলে বেজে ওঠে করুন সুর। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী স্মৃতিসৌধ এলাকা ত্যাগ করার পরই সাধারণ মানুষের জন্য খুলে দেওয়া হয় স্মৃতিসৌধের মূল ফটক।
এরপর সকাল পৌনে ৯টার দিকে সর্বসাধরণের মধ্যেই বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
/বিটি/








