নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে বাড়ি ফেরার পথে জহির ফকির (৪৫) নামের এক যুবদল নেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার (২১ অক্টোবর) রাত ১০টার দিকে উপজেলার চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত জহির পার্শ্ববর্তী আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়নের আব্দুর রহমানের ছেলে। তিনি আড়াইহাজার উপজেলার কালাপাহাড়িয়া ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি ও উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জহিরের বাড়ি আড়াইহাজার উপজেলায় হলেও কয়েক বছর ধরে তিনি মুন্সীগঞ্জ সদরে ভাড়া বাসায় থাকতেন। আর সোনারগাঁয়ে চর কিশোরগঞ্জ এলাকায় তার একটি ফার্মেসি রয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রাতে সোনারগাঁয়ের চর কিশোরগঞ্জ এলাকার ফার্মেসি বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে দুর্বৃত্তরা তাকে ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে সড়কে ফেলে রেখে যায়। স্থানীয় লোকজন তাকে উদ্ধার করে মুন্সীগঞ্জ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাগিনা ইসমাইল হোসেন দাবি করেন, কালাপাহাড়িয়া এলাকার মোবারক হোসেন ও তার লোকজন আমার মামাকে হত্যা করেছে। আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে আমার মামা নির্বাচন করার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মোবারক হোসেনও চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করবেন বলে ঘোষণা দেন। এ কারণে প্রথম থেকে মামাকে মোবারক হোসেন হুমকি দিয়ে আসছে। আজ তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হলো।
আড়াইহাজার উপজেলা যুবদলের সদস্যসচিব খোরশেদ আলম বলেন, জহির আমাদের দলের একজন ত্যাগী নেতা ছিলেন। রাতে ১৫-২০ জনের একটি গ্রুপ তাকে হত্যা করেছেন। তবে কারা এ কাজ করেছে তা এখনও নিশ্চিত না।
সোনারগাঁ থানার ওসি মোহাম্মদ আব্দুল বারিক বলেন, হত্যার কারণ ও জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে পুলিশ কাজ করছে। তদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা সম্ভব হবে।