যশোরের কেশবপুর উপজেলার সদর ইউনিয়নের মূলগ্রাম বটতলা মোড়ে অনেক জায়গা নিয়ে একতলার মালিক স্বপন নন্দী। পাশের জেলার তালা বাজারে তার সোনার গহনা তৈরির ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এক ছেলে বিদেশে থাকেন। এই বাড়ি লাগোয় দোতলা বাড়িটির মালিক নীলিমা নন্দী। বাড়ির দেয়ালেও টাইলস দেওয়া। নিচে রয়েছে বড় একটি মুদি দোকান। পাশে আরেকটি দোকান ভাড়া দেওয়া। সামান্য দূরে আরেকটি বেশ বড় দোতলা বাড়ি আর সামনে রাখি মালের আড়ৎ। এই বাড়িটির মালিক দিপক দত্ত, স্থানীয় বাজারে বেশ বড় ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচতি। ব্যবসা প্রতিষ্ঠান লাগোয়া শ্যামা কালী মন্দির, যা বাবা-মায়ের নামে উৎসর্গ করেছেন। এই এলাকা থেকে আর একটু দূরে রয়েছে গোবিন্দ দত্ত, পরিমলদের বাড়ি। দুটোই দোতলা। একটি বাড়িতে তালা মেরে সরে গেছেন বাড়ির মালিকরা, অপরটিতে রয়েছেন কয়েকজন মহিলা। এরা সম্পর্কে স্থানীয় ওয়ার্ড মেম্বারের ভাগনে জামাই ও ভাগনে। সবাই পেয়েছেন ১০ টাকা কেজি দরের চালের কার্ড।
দিপক দত্তকে ১০ টাকা কেজি চালের কার্ড বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘আমি ভোটের সময় নিমাই চন্দ্র দাসের সহযোগী ছিলাম। তাছাড়া আওয়ামী লীগ করি। দল ক্ষমতায়, এটুকু সুবিধা যদি না পাই- তাহলে কী চলে?’
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘সম্পত্তি সব বাবার নামে, আমাকে যদি একটু না দেন- তাহলে তো আমি গরিবই!
তবে ঠিক উল্টো পাশে একটি ভাঙাবাড়ি, দিলিপ দত্ত থাকেন সেখানে। গত দু’মাস যার পরিবার রাস্তার ধারে দিনানিপাত করেছেন। এই বাড়ির কেউই পাননি একটি কার্ড।
মূলগ্রামের মতো এরকম অনিয়মের অভিযোগ যশোরের অনেক গ্রামেই। গরিব-দুস্থদের জন্যে সরকারের নেওয়া খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে যশোরের গরিব মানুষ ক্ষুব্ধ হয়েছেন। বেশ কয়েকটি স্থানে অবস্থাসম্পন্ন ধনী মানুষদের নাম তালিকায় ওঠায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন হতদরিদ্ররা। এ কারণে সরকারের নেওয়া এই মহৎ কর্মসূচি স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও রাজনীতিকদের কারণে প্রশ্নবোধক হয়ে উঠেছে। তবে অবস্থাসম্পন্ন হওয়া সত্বেও ১০ কেজি টাকা দরে চাল নেওয়াতে অপরাধ দেখছেন না সুবিধাপ্রাপ্তরা। কোথাও কোথাও ওজনে কম দিয়ে দুর্নীতি করা হচ্ছে।
যশোর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের অফিস থেকে জানা গেছে, জেলার ৮ উপজেলায় ১ লাখ ৩৫ হাজার ১৩৮ জন হতদরিদ্রদের জন্যে চাল বিতরণের কর্মসূচি গৃহীত হয়েছে। ইতোমধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ২৪৬ জনের তালিকা সংশ্লিষ্ট দফতরে পৌঁছেছে। চাল বিতরণে ইতোমধ্যে নিয়োগ করা হয়েছে ২৪৮ জন ডিলার। এর মধ্যে যশোর সদর উপজেলার ১৮ হাজার ২৯০ জনের বিপরীতে তালিকা তৈরির কাজ শেষ হয়েছে ১৫ হাজার ৭৯০ জনের। মণিরামপুরের ২৩ হাজার ৪১৯ জনের মধ্যে ১৮ হাজার ৭০৩ জনের, ঝিকরগাছায় ২২ হাজার ১৭৫ জনের মধ্যে ১৩ হাজার ৯৮১ জনের, চৌগাছায় ১৪ হাজার ৯৯৭ জনের মধ্যে ১০ হাজার ৫২১ জনের নামের তালিকা করা হয়েছে। এছাড়া শার্শার ১৭ হাজার ৬১৭ জন, অভয়নগরের ১৬ হাজার ৪৮৪, বাঘারপাড়ার ৯ হাজার ১৬৬ এবং কেশবপুরের ১২ হাজার ৯৮৪ জনের তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে।
মূলগ্রাম ছাড়িয়ে এক কিমি দূরে পরামাণিকপাড়া। সেখানে ঘর আছে বেশকিছু। কিন্তু সাধন বিশ্বাস নামে এক ব্যক্তি ছাড়া সেখানে আর কেউই পাননি ১০টাকা কেজির এই চালের কার্ড।
স্থানীয়রা জানান, পরামাণিকপাড়ায় সব ঘর মিলিয়ে যতটুকু মাঠের জমি আছে, তারচেয়ে বেশি জমির মালিক সাধন বিশ্বাস। অথচ, তাকেই দেওয়া হয়েছে কার্ড; অন্যরা পাননি।
এই এলাকার বেশকিছু মাটির ঘর এখনও ভেঙে পড়ে আছে। অসহায় অবস্থায় দিনানিপাত করছেন এখানকার মানুষ। তাদের ক্ষোভ উপচে পড়ে সাংবাদিকদের দেখে। স্থানীয় বাসিন্দা সুধীর বিশ্বাস বলেন, ‘গেল বরষায় বাড়ির বারান্দা পর্যন্ত জল ছিল। খুব কষ্ট করে জীবন চলেছে। মেম্বারের কাছে গিয়েছিলাম; জানালো এবার হবে না। পরেরবার দেখা যাবে।’ সুধীর বিশ্বাস নরসুন্দরের কাজ করে জীবিকা চালান।
তারই প্রতিবেশী ওলিয়ার গাজীর স্ত্রী শাহানারা বেগম জানান, তার মাটির ঘরটি এখনও ভাঙা অবস্থায় আছে। গত ঈদের সময় কিছু চাল পেয়েছিলেন। কিন্তু এবার ১০ টাকা কেজির চালের কোনও কার্ড তিনি পাননি। একই অবস্থা দেখা গেছে আশপাশের বাড়িগুলোতেও। এখানকার বেশিরভাগ দরিদ্র মানুষ জলাবদ্ধ অবস্থায় স্থানীয় একটি স্কুলে দেড় মাসের বেশি সময় ছিলেন।
কথা হয় উত্তরপাড়ার বাসিন্দা ভ্যানচালক গোপাল অধিকারীর সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘আমি ভ্যান চালিয়ে প্রতিদিন নগদ টাকা পাই; তাই দিয়ে চাল কিনে খেতে পারি। সেই কারণে আমাকে কার্ড দেওয়া হয়নি। যারা বিদেশে আছে, চাকরি করে, বড় ব্যবসায়ী- তাদের তো আর দৈনন্দিন টাকা আয় হয় না। এক তলা-দোতলা বাড়ির মালিকদের কার্ড দেওয়া হয়েছে।’
দুলাল বিশ্বাস (৭২) বলেন, তার মা চপলা বিশ্বাসের বয়স এখন ১০০ বছর। এ পর্যন্ত তারা বয়স্কভাতাসহ কোনও কিছুই পাননি। পরের জমিতে এখনও কিষেণ দেন তিনি। মা তার সঙ্গেই থাকেন। ১০ টাকা কেজি দরের চালের কথা শুনে মেম্বারের কাছে গিয়েছিলেন। কিন্তু তাকে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে। গেল বর্ষায় তার বাড়িতেও বেশ জল উঠেছিল।
ইতোমধ্যে উপজেলা প্রশাসন বিতর্কিতদের মধ্যে চাল বিতরণ কর্মসূচি স্থগিত করেছে। স্থানীয়দের দাবি, সঠিকভাবে তালিকা প্রস্তুত করেই যেন চাল বিতরণ করা হয়।
সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিতরণের ঘোষণা দেন। এরপর দেশের প্রত্যেক উপজেলায় শুরু হয় চাল বিতরণে জন্য দরিদ্রদের তালিকা প্রস্তুতের কাজ। কিন্তু শুরুতেই অনিয়মে জড়িয়ে পড়েন তালিকা প্রস্তুতের দায়িত্বে থাকা জনপ্রতিনিধিরা। দলীয় পরিচয় ও ভোটের কর্মী হিসেবে প্রাধান্য দিয়ে স্বচ্ছল, ব্যবসায়ী, চাকরিজীবী এমনকি বিদেশে কর্মরতদের পরিবারের তালিকা প্রস্তুত করে চাল বিতরণ শুরু হয়।
এ বিষয়ে তিন নম্বর ওয়ার্ডের মেম্বার নিমাই চন্দ্র দাসের সেলফোনে যোগাযোগ করা হয়। তিনি বলেন, ‘বিজয়া দশমীর জন্যে ব্যস্ত আছি। আপনাদের কোনও প্রশ্নের জবাব দিতে পারছি না। পরে যোগাযোগ করেন।’
কেশবপুর সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. আলাউদ্দিন আলা বললেন, ‘তড়িঘড়ি করে তালিকা প্রস্তুত করাই কিছুটা ভুল ত্রুটি হয়েছে। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তা সংশোধন করে প্রকৃত দুস্থদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।’
কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) শরীফ রায়হান কবীর বলেন, ‘চাল বিতরণের পর বিভিন্ন স্থান থেকে ধনী মানুষদের কার্ড দেওয়া হয়েছে- এমন অভিযোগ আসা শুরু করে। সেই কারণে উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে, তাদের কার্ড আটকে দেওয়ার জন্যে সংশ্লিষ্ট ডিলারদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’
ইউএনও বলেন, ‘প্রতিটি ইউনিয়নে একজন করে অফিসারের নেতৃত্বে দুস্থদের তালিকা সংশোধনে কমিটি করে দেওয়া হয়েছে। আগামী সাত কর্মদিবসের মধ্যে সংশোধিত তালিকা অনুযায়ী চাল বিতরণ করা হবে।’
মণিরামপুরে ডিলার আওয়ামী লীগ নেতাকে জরিমানা
ওজনে কারচুপির অভিযোগে আওয়ামী লীগ নেতা শহিদুল ইসলাম শাহিন নামে এক ডিলারকে জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ১১ অক্টোবর (মঙ্গলবার) দুপুরে আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার-ইউএনও কামরুল হাসান আদালত পরিচালনা করে তাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। উপজেলার জালঝাড়া মোলাম মিয়ার বটতলা সংলগ্ন ডিলার শাহিন কার্ড প্রতি ৪-৫ কেজি করে ওজনে কম দিচ্ছেন- এমন অভিযোগের প্রেক্ষিতে ভ্রাম্যমাণ আদালত সেখানে অভিযান চালান।
ইউএনও কামরুল হাসান জানান, চাল বিতরণে অনিয়মের সংবাদ পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মঙ্গলবার মণিরামপুর সদর ইউনিয়নে নিযুক্ত ডিলার শহিদুল ইসলাম শাহিনের দোকানে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হয়। ওজনে কারচুপির অপরাধ প্রমাণিত হওয়ায় তাকে ১০ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়েছে। এছাড়া যারা কম চাল পেয়েছেন, তাদের পুনরায় সঠিক ওজনে চাল প্রদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়। তিনি জানান, আদালতের এই অভিযান অব্যাহত থাকবে। নির্ধারিত মূল্য নিয়ে কোনও অভিযোগ পেলেই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এক্ষেত্রে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি পৌরমেয়র অধ্যক্ষ কাজী মাহমুদুল হাসান বলেন, শহিদুল ইসলাম শাহিন মণিরামপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক। তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালত জরিমানা করেছে বলে শুনেছি।
প্রসঙ্গত, গত ১০ অক্টোবর সকালে সদর ইউনিয়নে ডিলার শাহিনের মাধ্যমে চাল বিক্রি শুরু হয়। উদ্বোধনের এক দিনের মাথায় ডিলার শাহিনের বিরুদ্ধে ওজনে কম দেওয়ার অভিযোগ ওঠে।
শার্শার এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে কার্ড আত্মসাতের অভিযোগ
উপজেলার লক্ষ্মণপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন শান্তির বিরুদ্ধে ১৬টি কার্ড আত্মসাতের অভিযোগ আনেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। গত ৬ অক্টোবর এমন একটি লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী অফিসার একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন।
অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ইউনিয়নের ১নম্বর ওয়ার্ডে ১১০টি কার্ড দেওয়া হয়। এর মধ্যে ১৬টি কার্ড চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন শান্তি তার ‘পকেটে’র লোকদের নামে বরাদ্দ দিয়ে পরে তা আত্মসাৎ করেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর দূর্গাপুর গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এ পর্যায়ে গত ৬ অক্টোবর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেন দূর্গাপুর গ্রামের বাসিন্দা শাফিকুল ইসলাম।
শার্শা উপজেলা নির্বাহী অফিসার আব্দুস সালাম অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেন বলেন, ‘অতিদরিদ্রদের জন্য বরাদ্দ এই চাল নিয়ে কোনও ধরনের অনিয়ম প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। অভিযোগ পেয়ে আমি সঙ্গে সঙ্গে উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তাকে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছি।’
যোগাযোগ করা হলে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান সালাউদ্দিন শান্তি বলেন, “১০ টাকা দরের চাল সরকার গরিব মানুষের জন্য বরাদ্দ দিয়েছে। আমি কোনও কার্ড আত্মসাৎ করিনি। স্থানীয় ‘মুরুব্বি’রা সাধারণত এই কার্ডের তালিকা তৈরি করেন। তারা যে তালিকা দিয়েছেন তা আমি জমা দিয়েছি।”
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক যা বললেন
যশোর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কামাল হোসেন জানান, বছরে দুই দফায় পাঁচ মাস হতদরিদ্রদের মাঝে এই চাল বিক্রয় করা হবে। প্রথম দফায় তিন মাস সেপ্টেম্বর, অক্টোবর ও নভেম্বর এবং দ্বিতীয় দফায় মার্চ ও এপ্রিলে চাল বিক্রি করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত জেলার সব তালিকা তাদের কাছে এসে পৌঁছায়নি। যা বাকি যা আছে তা দু’একদিনের মধ্যে তৈরি করা হয়ে যাবে।
কার্ড তৈরিতে সামান্য কিছু অনিয়ম হতে পারে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তবে চাল আত্মসাৎ কিংবা কালোবাজারে বিক্রির কোনও সুযোগ নেই।’
যশোরের বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, কলাম লেখক, সামাজিক আন্দোলনের কর্মী এমআর খায়রুল উমাম বলেছেন, ‘হতদরিদ্রদের জন্যে ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রির সরকারি এই উদ্যোগটি খুবই ভালো। কিন্তু সামাজিক নিরাপত্তা বলয় তৈরির লক্ষে সরকার আগেও যেসব উদ্যোগ নিয়েছে সেগুলোতেও অনিয়ম দেখা গেছে। সেইসব সমস্যা বা অনিয়ম নিরসনে সরকারের পক্ষে বড় কোনও কার্যক্রম আমাদের চোখে পড়েনি’
তিনি আরও বলেন, ‘ডিলারদের ৫-১০ হাজার টাকা জরিমানা কোনও শাস্তি নয়। সরকারের এই শুভ উদ্যোগটা তারা নষ্ট করছে, তাদের শাস্তি খুবই কম দেওয়া হচ্ছে। এতে করে সে আগামীতে আবারও একই অপরাধ করবে। সেকারণে তাদের শাস্তিটা যেন দৃষ্টান্তমূলক হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা জরুরি।’
/এএ/এইচকে/এফএস/








