বেনাপোলে চেকপোস্ট আন্তর্জাতিক কাস্টমস ইমিগ্রেশনে কাস্টমস সদস্যদের মারধর ও ভবন ভাঙচুরের ঘটনায় পুলিশ কর্মকর্তাদের অপসারণের দাবিতে মুখে কালো কাপড় বেঁধে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন কাস্টম কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। রবিবার (২৪ ডিসেম্বর) সকাল ৯টা থেকে ১১টা পর্যন্ত কর্মবিরতিও পালন করেন তারা।
বেনাপোল কাস্টমস হাউসের প্রধান ফটকের সামনে এই মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এ ঘটনায় ৩ ঘণ্টা বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি-রফতানিসহ কাস্টমসের সব কার্যক্রম বন্ধ ছিল। পরে বেনাপোল কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার সাঈদ আহম্মেদ রুবেল ন্যায়বিচারের আশ্বাস দিলে কাস্টম কর্মকর্তারা তাদের কর্মসূচি সাময়িকভাবে প্রত্যাহার করে নেন।
বেনাপোল কাস্টমস অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা নজরুল ইসলাম বাঙালি বলেন, ‘সরকারি অফিস ভাঙচুর ও কাস্টমস অফিসারদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত ওসি ওমর শরীফসহ ৫ জন পুলিশের অপসারণের দাবিতে রবিবার সারা দেশে কাস্টসম সদস্যরা কালো ব্যাজ ধারণ, কর্মবিরতি পালন করছে। হামলার সুষ্ঠু বিচার না হলে আরও বড় কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।’
বেনাপোল কাস্টমস অফিসার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘কাস্টমস অফিসারদের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত পুলিশদের অপসারণ করা না হলে লাগাতার কর্মসূচি দেওয়া হবে।’
কাস্টম কর্মকর্তাদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন বিসিএস কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশে কাস্টমস অ্যান্ড ভ্যাট অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন, বাংলাদেশ কাস্টমস এক্সসাইজ অ্যান্ড ভ্যাট তৃতীয় শ্রেণির নির্বাহী কর্মচারী সমিতি।
উল্লেখ্য, বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট কাস্টমস-ইমিগ্রেশন ভবনে গত ২০ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় ভারত থেকে আসা ২ পাসপোর্টযাত্রীর ব্যাগ তল্লাশি করতে কাস্টম কর্মকর্তাদের বাধা দেন পুলিশ কর্মকর্তারা। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও কাস্টমস কমকর্তাদের মধ্যে মারামারি ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে। এতে ৫ কাস্টমস কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হন।







