কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় গ্রুপের দুই জন কর্মী আহত হয়েছে। শনিবার (৩ মার্চ) বিকাল সাড়ে ৫টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হোসেন হলে এ ঘটনা ঘটে। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুর রহমান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শনিবার দুপুরে টিএসসিতে আইন বিভাগের ৪র্থ বর্ষের শিক্ষার্থী ও ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের কর্মী রিজওয়ানুল ইসলামের সঙ্গে বায়োটেকনোলজি বিভাগের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থী ও সভাপতি গ্রুপের কর্মী মিলনের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে রিজওয়ান ও তার বন্ধুরা মিলনকে মারধর করলে সে পালিয়ে হলে আশ্রয় নেয়। এরপর বিকাল ৬টার দিকে সাধারণ সম্পাদক গ্রুপের হিমেল চাকমা, নীল, জসিমসহ কয়েকজন হলে প্রবেশ করলে সভাপতি গ্রুপের কর্মী ও আইসিই বিভাগের শিক্ষার্থী নাইমুল ইসলামসহ কয়েকজনের সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে নাইমসহ কয়েকজন হিমেলকে স্ট্যাম্প দিয়ে মারধর করে। এ ঘটনার কিছুক্ষণ পর অন্যান্য হল থেকে সাধারণ সম্পাদক গ্রপের নেতা-কর্মীরা এসে নাইমকে তার কক্ষে না পেয়ে তালা ভেঙে কক্ষে ভাঙচুর চালায়। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল বডি ও ইবি থানা পুলিশের টিম এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান বলেন, ‘বিনা উস্কানিতে তারা আমার কর্মীর ওপর হামলা চালিয়েছে। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে এর বিচার দাবি করেছি। বিচার না পেলে আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাপদক জুয়েল রানা হালিম বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। ঘটনা শোনা মাত্রই আমি ক্যাম্পাসে এসে আমার কর্মীদের শান্ত করি।’
এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মাহবুর রহমান বলেন, ‘নিজেদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়েছে। বিষয়টি শোনামাত্রই আমি ঘটনাস্থলে গিয়েছি এবং সাভাপতি ও সেক্রেটারির সঙ্গে বসে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা করছি।’








